নিউজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সম্মিলিত উদ্যোগে আমরা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে কাজ করে যাচ্ছি। আগামীতে এ কাজে আরও সফল হব। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। কারও ক্ষমতা নেই বাংলাদেশকে পিছিয়ে রাখার। আজ শনিবার গণভবন থেকে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন বাংলা ভাই ও শায়খ আবদুর রহমানকে বানিয়েছিল। বাংলাদেশকে সন্ত্রাসীদের চারণভূমি করে দিয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আন্দোলন মানে জ্বালাও-পোড়াও, সন্ত্রাস আর মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা। বিএনপির আন্দোলন মানেই জনগণকে পুড়িয়ে মারা এবং খুন-খারাবি করা। আসলে তারা এ দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। তাই তারা উন্নয়ন ও অগ্রগতিতেও বিশ্বাস করে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭১ এ হানাদার বাহিনী যেভাবে জ্বালাও-পোড়াও আর অগ্নিসংযোগ করেছে তেমনটি বিএনপি ২০১৩ সালে করেছে। গুলশানের কার্যালয়ে বসে খালেদা জিয়া বিরিয়ানি খেয়েছেন এবং বাইরে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছেন। এটাই ছিল তার আন্দোলন। তারা নির্বাচনে আসে নাই। এটা ছিল খালেদা জিয়া ও তার দলের সিদ্ধান্ত। আজকে তারা তো অফিসিয়ালি বিরোধী দলও নয়। নির্বাচনে না আসলে সে দায় জনগণ নেবে কেন?
সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করছেন বলেও তিনি জানান। বলেন, বাংলাদেশের একটি মানুষও দরিদ্র ও অবহেলিত থাকবে না। সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য কাজ করে যাচ্ছি আমরা। নিজের ভাগ্য নয়, মানুষের ভাগ্য গড়ার ব্রত নিয়ে কাজ করছি আমরা।
সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান বাংলাদেশে হবে না। এ পথ শান্তির নয়, কল্যাণেরও নয়। এগুলো মোকাবিলার জন্য সমাজের সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ দেশকে শান্তির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। অভিভাবকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছেলেমেয়ের সঙ্গে মন খুলে কথা বলুন। তারা কোথায় কী করে খেয়াল রাখবেন।

Be the first to comment on "দেশকে পিছিয়ে রাখার ক্ষমতা কারও নেই : প্রধানমন্ত্রী"