নিউজ ডেস্ক : কার্তিক মাসের শুরুতে বইছে শীতল হাওয়া,ভোরের আকাশে ঘনকুয়াশায় যেন শীতের দেখা মিলছে। দিনের গরমের সাথে সাথে সন্ধার শুরুতে পড়ছে কুয়াশার ফুলঝুরি। হেমন্তের দিনগুলি শেষ হতে না হতেই শীতের বুড়ি এসে যেন জবরদখল করে নিচ্ছে আশপাশের প্রকৃতি। দিনে গরম,রাতে হিমালয়ের কুয়াশার শীতল হাওয়া আর ভোর রাতে ঘন কুয়াশার হাতছানিই বলে দিচ্ছে শীত বেশি দুরে নয়। দিনের বেলা সূর্যের আলোর দেখা মিললেও দিন দিন তাপমাত্রা কমছে। এতদিন যারা হালকা বা পাতলা কাপড় গায়ে জড়িয়ে বের হতেন তারা এখন শীতের ভারী কাপড় পরতে শুরু করেছেন। সকালে ঘাসের ডগায় আর বৃক্ষরাজির পাতায় পাতায় জমে থাকা শিশির বিন্দু জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। ভোর থেকে ঘন কুয়াশা আর বিকেলের হিমেল বাতাসে শীতের হাওয়া। লোহাগড়া পৌর শহরের একাধিক প্রবীণ ব্যক্তিরা জানান, শীত নামে বেশ আগে ভাগেই। এবারো তার ব্যর্তয় ঘটেনি, কার্তিকের শুরুতে হলেও উত্তর দিগন্তে হিমালয়ের বরফচূড়া থেকে ছড়িয়ে পড়ছে শীতবুড়ির হিমশীতল নিশ্বাস। পূর্ব আকাশে কুয়াশা ঢাকা মুখ আর অল্প রোদের ঝলকানিই মনে করিয়ে দিচ্ছে শীতের আগমনকে বরণ করে নেয়ার সময় এসেছে। এদিকে শীতকে সামনে রেখে অনেকেই যারা পুরনো শীত বস্ত্র তুলে রেখেছেন সেগুলো বের করছেন। কেউ কেউ আবার নতুন করে লেপ-তোষক তৈরি করছেন। লেপ-তোষকের কারিগরদের ব্যস্ততা বেড়েছে । শীতের এ মাসগুলো যেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের নি¤œ-আয়ের মানুষের কাছে কবির সেই কবিতার লাইনটির মত (‘কারো পৌষ মাস,কারো বা সর্বনাশ’) অভিশাপ হয়েই দেখা দেয়। বিত্তবানদের যেখানে বাহারি ডিজাইনের শীতের কাপড়ের সমারোহ থাকে,সেখানে নি¤œ আয়ের অনেকের ভাগ্যে হয়তো একটি কাপড়ও জোটে না। আর তাই নি¤œ-আয়ের নারীরা বেশ আগে-ভাগেই সংসারের কাজের ফাঁকে পুরনো শীতের কাঁথাগুলো নতুন করে ছেঁড়া শাড়ী-লুঙ্গি দিয়ে জোড়া তালি লাগিয়ে ব্যবহারের উপযোগী করার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। অপরদিকে শীতের আগমনে বিত্তবানরা ছুটছেন শহরের নামী-দামী বিপণী বিতান ও কাপড়ের মার্কেটগুলোতে।
নড়াইলে কড়ানাড়ছে শীতের আগমনী বার্তা
নড়াইলে কড়ানাড়ছে শীতের আগমনী বার্তা
Be the first to comment on "নড়াইলে কড়ানাড়ছে শীতের আগমনী বার্তা"