নিউজ ডেস্ক : বিচারিক হাকিমের ক্ষমতা প্রয়োগ করে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দেওয়া আদেশ কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে দুটি অভিযোগের বিষয়ে ইউএনওর সিদ্ধান্তসহ যাবতীয় নথিপত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পৃথক দুটি রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুলসহ এই আদেশ দেন।
জনপ্রশাসন সচিব, খুলনার জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার, বটিয়াঘাটার ইউএনও, ওসিসহ সাত বিবাদীকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ বি এম আলতাফ হোসেন ও সিমন টি আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
পরে আলতাফ হোসেন বলেন, ইউএনও অভিযোগ পেয়ে সমন ইস্যু করেছেন। মামলা হিসেবে নম্বর দিয়েছেন। বাদীর বক্তব্য নিয়েছেন। একটি অভিযোগের শুনানি শেষে মামলা করতে ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। অন্য অভিযোগের বিষয়টি এজাহার হিসেবে গণ্য করে নিয়মিত মামলা রুজু করতে বলেছেন। এখানে ইউএনও বিচারিক হাকিমের কাজ করেছেন। এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর আঘাত। তিনি বিচারিক হাকিমের ক্ষমতা এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে প্রয়োগ করেছেন। নির্বাহী হাকিমেরা কেবল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে পারেন। কিন্তু তিনি বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
গত বছরের ২৬ আগস্ট বেল্লাল হাওলাদার নামের এক ব্যবসায়ী ইউএনওর কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি সিদ্ধান্ত দেন। অন্যদিকে, ইউএনও অফিসের নিরাপত্তাপ্রহরী আগস্টে উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ আনেন। এর ভিত্তিতে ইউএনও আদেশ দেন।

Be the first to comment on "বটিয়াঘাটার ইউএনওর আদেশ কেন বাতিল নয় মর্মে রুল"