নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের বন্যা এলাকায় জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ৬৯৬টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। ইতোমধ্যে উপদ্রুত এলাকায় বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে খাবার স্যালাইন, কলেরা স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরন ট্যাবলেটসহ প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বন্যা দুর্গত ১৪ জেলার সকল চিকিৎসকের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
বুধবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি এবং দূর্গত এলাকায় চিকিৎসা কার্যক্রম সংক্রান্ত জরুরি বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এতে সভাপতিত্ব করেন। সভায় অন্যান্যের মাঝে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন সহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রী বন্যা উপদ্রুত এলাকায় রোগের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের চিকিৎসকদেরকে সার্বক্ষণিক তৎপর থাকতে হবে। বন্যার্তদের মাঝে দ্রুততার সাথে যেন পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় ঔষধ ও সরঞ্জাম পৌঁছে যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তিনি প্রয়োজনীয় ঔষধ ও পথ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
উপদ্রুত এলাকায় ৩ হাজার ৩২৭ জনের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে পরিস্থিতির সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বন্যা দুর্গত ১৪ জেলার সকল চিকিৎসকের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বন্যা দুর্গত এলাকায় রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় করনীয় সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রতিদিন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিশেষ তথ্য কনিকা প্রকাশ করা হচ্ছে বলে সভায় জানানো হয়। উপদ্রুত অঞ্চলের রোগ ও স্বাস্থ্য সেবা সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিতভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।

Be the first to comment on "বন্যা দুর্গত ১৪ জেলার সকল চিকিৎসকের ছুটি বাতিল"