শিরোনাম

মাদারীপুরে ৫০ গ্রামে কোরবানির ঈদ সোমবার

নিউজ ডেস্ক : মাদারীপুরের ৪ উপজেলার ৫০ গ্রামের হযরত সুরেশ্বর (রাঃ) অনুসারীরা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে আগামীকাল সোমবার ঈদ উল আযহা উদযাপন করছেন। সুরেশ্বর দ্বায়রা শরীফের প্রধান গদীনশীন পীর ও আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব খাজা শাহ্ সূফী সৈয়্যেদ নূরে আক্তার হোসাইন জানান, রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর পবিত্র মক্কা শরীফে হজ্জ্ব ব্রত পালিত হয়। সোমবার সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের ৬৯টি দেশে ঈদ উল আযহা উদযাপন করছে। তাই সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের সাথে মিল রেখে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দ্বায়রা শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত জানশরীফ শাহ্ সুরেশ্বরী (রাঃ) এর মাদারীপুর ও শরিয়তপুর জেলাসহ বাংলাদেশের প্রায় দেড় কোটি ধর্ম প্রাণ মুসলমান ১২ সেপ্টেম্বর সোমবার ঈদ উল-আযহা উদযাপন করেছেন।
শরিয়তপুর দ্বায়রা শরীফের মাদারীপুর জেলার প্রধান খাদেম ও পাঁচখোলা ইউপির প্রাক্তন চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার মোল্লা জানান, মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা, জাজিরা, মহিষেরচর, জাফরাবাদ, চরকালিকাপুর, তাল্লুক, বাহেরচরকাতলা, চরগোবিন্দপুর, আউলিয়াপুর, ছিলারচর, কুনিয়া, মস্তফাপুর, কালকিনির সাহেবরামপুর, আন্ডারচর, আলীনগর, বাঁশগাড়ী, খাসেরহাট, আউলিয়াপুর, রামারপোল, ছবিপুর, ছিলিমপুর, ক্রোকিরচর, সিডিখান, কয়ারিয়া, রমজানপুর, বাটামারা, রাজারচর, শিবচরের পাচ্চর, স্বর্ণকারপট্রিসহ মাদারীপুর জেলার চারটি উপজেলার ৫০ গ্রামের অর্ধ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সোমবার ঈদ-উল-আযহা উদযাপন করছেন।
ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের চরকালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ ও কালকিনির আন্ডারচর খানকায়ে শরীফ মাঠে সকাল ১০ টায় ঈদের বৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। চরকালিকাপুর ঈদের জামাতে ঈমামতি করবেন মাস্টার আবুল হাসেম মিয়া ও আন্ডারচর খানকায় শরীফ মাঠের ঈদের জামাতে ঈমামতি করেন মাওলানা মোকসেদ আলী মিয়া।
মাদারীপুর সদর উপজেলার চরকালিকাপুর গ্রামের মোঃ হাশেম মাস্টার জানান, সুরেশ্বর দ্বায়রা শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত জান শরীফ শাহ্ সুরেশ্বর (রাঃ) এর মাদারীপুরের অনুসারীরা একশত বছরেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে রোজা রাখেন এবং ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ উল আযহা পালন করে আসছেন।
সুরেশ্বর পীরের ভক্তদের মতে, ইসলাম ধর্মের সবকিছুই মক্কা শরীফ হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। তাছাড়া মক্কা শরীফ থেকে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র ৩ ঘন্টা। তাই মক্কাবাসীসহ মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমানরা যেদিন রোজা রাখেন তারাও সেদিন থেকে রোজা করে থাকেন। তারা মনে করেন, ৩ ঘন্টা সময়ের পার্থক্যের জন্য ২৪ ঘন্টা পার্থক্য মানা যুক্তিযুক্ত নয়। উল্লেখ্য, সুরেশ্বর দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত জান শরীফ শাহ্ সুরেশ্বরী (রাঃ) এর অনুসারীরা ১৪৫ বৎসর পূর্ব থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে রোজা রাখেন এবং ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ উল আযহা পালন করে আসছেন।

basic-bank

Be the first to comment on "মাদারীপুরে ৫০ গ্রামে কোরবানির ঈদ সোমবার"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*