নিউজ ডেস্ক : প্রথম ম্যাচটা ৮ উইকেটে জিতেছিল বলে ঢাকা ডাইনামাইটসের ব্যাটিং লাইন আপের আসল শক্তিটা বোঝা যায়নি। বিরাট বিরাট সব নাম তাদের ব্যাটিং অর্ডারে। কিন্তু রাজশাহী কিংস খুব ডানা মেলতে দেয়নি এই ব্যাটসম্যানদের। তবে কঠিন পরিস্থিতিতেই তরুণ তারকা মোসাদ্দেক হোসেন বিপিএলে নিজের ফিফটি করেছেন। ঢাকার ত্রাণকর্তা হয়ে ৪৬ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৫৯ রান করে অপরাজিত রইলেন। মিরপুরে শুক্রবার বিপিএলের দ্বিতীয় খেলায় তাতে ৫ উইকেটে ১৩৮ রান তুলতে পারলো ঢাকা। মনে করিয়ে দেই, আগের ম্যাচে ১৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করে রাজশাহী হেরেছিল ৩ রানে।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ঢাকার রাশ টেনে ধরায় বড় এক ভূমিকা ছিল মেহেদী হাসান মিরাজের। হালের এই সেনসেশনাল অফ স্পিনারই ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে আঘাত হানেন। কিংবদন্তি কুমার সাঙ্গাকারা (২) তার বলের লাইন বুঝতে না পেরে বোল্ড।
এরপর ৩০ রান যোগ করলেন আগের ম্যাচে অপরাজিত ৭৫ রান করা ওপেনার মেহেদী মারুফ ও মাহেলা জয়াবর্ধনে। কিন্তু তারপরও ৪ বলের মধ্যে ঢাকার ৩ উইকেট তুলে নেয় রাজশাহী।ডাবল উইকেট মেডেনের ওভারে জোড়া ধাক্কা দেন বৃটিশ স্পিনার সামিট প্যাটেল। দুই সেট ব্যাটসম্যান জয়াবর্ধনে (১) ও মারুফ (২২ বলে ২৫) প্যাটেলের শিকার। পরের বলটি ছিল মেহেদীর দ্বিতীয় ওভারের প্রথম। ঢাকা অধিনায়ক সাকিব আল হাসানেরও প্রথম। কিন্তু টেস্টের নতুন বোলিং পার্টনারের বলে স্টাম্পিংয়ের শিকার হয়ে শূণ্য রানে ফেরেন সাকিব।
ঠিক ৪৩ রানের সময়ই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে ঢাকা। কিন্তু তরুণ মোসাদ্দেক হোসেন ও রবি বোপারা ধস থামালেন। ৫২ বলে ৫৪ রানের জুটি গড়ে তারা দলকে নিলেন ৯৭ রান পর্যন্ত। আগের ম্যাচে ৫ উইকেট নেওয়া আবুল হাসান আক্রমণে ফিরে জুটি ভাঙলেন। ফেরালেন বোপারাকে।
কিন্তু মোসাদ্দেক চাপের মাঝে ৪১ বলে তার প্রথম ফিফটি তুলে নেন। ১৯তম ওভারটি মোহাম্মদ সামির ছিল। ডোয়াইন ব্রাভো ও মোসাদ্দেকের ক্যাচ ড্রপ হয় ৩ বার! রান আসে ১২। মোসাদ্দেকের ৩৯ রানই এসেছে শেষ ৪ ওভারে। বোঝা যায় শেষ দিকে তিনি চালিয়ে না খেললে ঢাকার সংগ্রহটা হয়তো আরো কম হতো। ব্রাভোর সাথে ২৫ বলে অবিচ্ছিন্ন ৪১ রানের জুটি মোসাদ্দেকের। ব্রাভো অপরাজিত থাকেন ১৩ রানে। মেহেদী ও প্যাটেল ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। আবুল হাসানের শিকার ১ উইকেট।

Be the first to comment on "মোসাদ্দেকের অপরাজিত ফিফটিতে ঢাকার ১৩৮"