নিউজ ডেস্ক : শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে টানা ১১ দিনের চলমান অসন্তোষের ঘটনায় আরও ১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ৭ শ্রমিক নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে হা-মীম গ্রুপের পক্ষ থেকে কারখানায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও ভাঙচুরের অভিযোগে দুই শ্রমিকের নাম উল্লেখসহ শতাধিক শ্রমিকের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয় এবং আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ শ্রমিক নেতাকে আটক করা হয়। আটকদের গোপন স্থানে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ আটকের বিষয়ে বিস্তারিত না জানালেও নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে আটকদের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে। শ্রমিক অসন্তোষের সাথে সম্পৃক্ততা ও কারখানাগুলোতে নাশকতার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানায় সূত্রটি।
আটক শ্রমিক নেতারা হলেন তৃণমূল গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের আশুলিয়া শাখার সভাপতি শামিম আহম্মেদ, গার্মেন্ট শ্রমিক ফ্রন্ট সভাপতি সৌমিত্র কুমার দাস, স্বাধীন বাংলা গার্মেন্টস কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি আল-কামরান, সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমেদ, টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজান, বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম সুজন, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম। এ ছাড়াও আরও কয়েকটি শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের খুঁজছে পুলিশ।
জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার ওসি মোহসিনুল কাদের বলেন, চলমান শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় কারখানার ভেতরে ভাঙচুর ও নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে এ পর্যন্ত শ্রমিকদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। তবে শ্রমিক নেতাদের আটকের বিষয়টি তিনি জানেন না বলে জানান। এ ছাড়া কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শিল্পাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। র্যাব-বিজিবি, দাঙ্গা পুলিশ এবং জেলা পুলিশের টহলের পাশাপাশি স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মহড়া দিচ্ছে।

Be the first to comment on "শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় আরও ১ মামলা, আটক ৭"