নিউজ ডেস্ক:আজ বুধবার সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণ এবং আপশাপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র্যাব সদস্য।
আদালতের প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশি করে তারপর আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। আইনজীবীদের পরিচয়পত্রও দেখাতে হচ্ছে।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া জানিয়েছেন, বেলা ১১টার পর তার মক্কেল আদালতে হাজির হবেন। প্রথমে তিনি হাজিরা দেবেন দারুস সালাম থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা নাশকতার মামলায়।
দারুস সালাম থানার মামলাগুলোর মধ্যে ৪(৩)১৫ এবং ৮(২) ১৫ নম্বর মামলায় গত ১১ মে খালেদা জিয়াসহ বিএনপির ৫১ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।
এরপর গত ২৬ মে ৬(২)১৫ নম্বর মামলায় খালেদা জিয়াসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
গত ২৯ মে খালেদা জিয়াসহ ৫১ আসামির বিরুদ্ধে এ থানার আরও দুটি মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
সর্বশেষ গত ৬ জুন ২৯(২)১৫, ৫(২)১৫, ৩১(২)১৫ ও ৬২(১)১৫ নম্বর মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১০৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।
সবগুলো মামলায় খালেদা জিয়াকে পলাতক দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়।
সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, “নয়টি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে ম্যাডাম জামিন প্রার্থনা করবেন।”
এরপর একই ভবনের ষষ্ঠ তলায় বিশেষ জজ আদালতে বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দেবেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা।পরে নাইকো দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে যাবেন পাশের রেবতী ম্যানসনে, নবম বিশেষ জজ আদালতে। এ দুটি মামলায় বুধবার অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ রয়েছে।
এছাড়া রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে দায়ের করা আরেক মামলায় মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা রয়েছে খালেদা জিয়ার।
আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী গত ২৫ জানুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ মামলা করেন।
এর আগে গত ৫ এপ্রিল যাত্রাবাড়ী থানার নাশকতার মামলাসহ পাঁচ মামলায় খালেদা জিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

Be the first to comment on "পুরান ঢাকার আদালতপাড়ায় কড়া নিরাপত্তা"