নিউজ ডেস্ক : অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে কক্সবাজার-৪ আসনের আওয়ামী লীগদলীয় সাংসদ আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২ নভেম্বর তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।
আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু আহমদ জমাদার রায় ঘোষণার এই তারিখ ধার্য করেন। তারিখ ধার্যের আগে আজ এই মামলার যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয়।
পরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, বদির বিরুদ্ধে এই মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। মামলার যুক্তিতর্ক আজ শেষ হয়েছে। এরপর আদালত রায় ঘোষণার জন্য ২ নভেম্বর তারিখ ধার্য করেছেন।
২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে সাংসদ বদির বিরুদ্ধে দুদকের করা এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।
দুদকের আইনজীবীর ভাষ্য, ২০০৮ সালে বদির সম্পদের পরিমাণ ছিল ৪৯ লাখ ৭৯ হাজার টাকার। ২০১৩ সালে তিনি যে আয়কর বিবরণী দাখিল করেন, এতে দেখা যায়, তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৬ কোটি ৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। দুদক সম্পদের বিবরণী চেয়ে তাঁকে নোটিশ দিয়েছিল। নোটিশ পাওয়ার পর তিনি ৫ কোটি ২০ লাখ ১৪ হাজার ৫৮৩ টাকার সম্পদের বিবরণী দাখিল করেন। বাকি ১০ কোটি ৮৬ লাখ টাকার তথ্য তিনি গোপন করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আবদুর রহমান বদি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১০ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকা মূল্যমানের সম্পদের তথ্য গোপন করে বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দেন। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের বৈধতা দেখানোর জন্য কম মূল্যে সম্পদ ক্রয় দেখিয়ে ১ কোটি ৯৮ লাখ ৩ হাজার ৩৭৫ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি দেখানো হয়েছে।
এই অভিযোগে দুদক ২০১৪ সালের ২১ আগস্ট বদির বিরুদ্ধে মামলা করে। গত বছরের ৭ মে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক।

Be the first to comment on "বদির বিরুদ্ধে দুদকের মামলার রায় ২ নভেম্বর"