নিউজ ডেস্ক : নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুনের দুটি মামলায় নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের সহযোগী যুবলীগ নেতা নিহত মনিরুজ্জামান স্বপনের স্ত্রী মোর্শেদা বেগম ও পুলিশসহ ৭ জন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দুই ঘন্টা একটানা জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে নূর হোসেন ও র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ২৩ আসামীর উপস্থিতিতে স্বাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।
পরবর্তীতে মামলার আসামীপক্ষের আইনজীবীরা স্বাক্ষীদের জেরা করেন। দুপুর বারোটায় সাতজনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষে আদালত আগামী ৯ মে পরবর্তী স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য্য করেন। এই নিয়ে ৭ খুনের দুটি মামলায় মোট দুই মামলার বাদী ও দু’জন ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৩৭ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হলো।
এর আগে সকাল সাড়ে নয়টার মধ্যে সাত হত্যা মামলার প্রধান আসামী নূর হোসেন, র্যাব-১১র সাবেক অধিনায়ক লে.কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, কমান্ডার এম এম রানা ও মেজর আরিফ হোসেনসহ ২৩ আসামীকে কঠোর নিরাপত্তার মধে দিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু সিরাজুল ইসলাম লিটন, সহযোগী যুবলীগ নেতা মরিুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, স্বপনের গাড়ি চালক জাহাঙ্গীর, সিনিয়র আইনজীবি চন্দন সরকার ও তার গাড়ি চালক ইব্রাহিমকে অপহরণের তিন দিন পর লাশ উদ্ধার করা হয়। খুনের ঘটনায় প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও তার ৪ সহযোগী হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বাদী হয়ে একটি এবং সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়ির চালক ইব্রাহিম হত্যার ঘটনায় জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে একটিসহ ফতুল্লা মডেল থানায় মোট দুটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ এক বছর তদন্তের পর তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির ওসি মামুনুর রশিদ মন্ডল ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল মামলায় নূর হোসেন ও র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
নারায়ণগঞ্জের খুন : দুটি মামলায় ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন

Be the first to comment on "নারায়ণগঞ্জের খুন : দুটি মামলায় ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন"