নিউজ ডেস্ক: বাঙালির প্রাণে উচ্ছ্বসিত আবেগে নানাভাবে জড়িয়ে থাকা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি এসেছে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে।
রোববার ২৫ বৈশাখ তার ১৫৫তম জন্মবার্ষিকী। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে তার জন্ম।
বাংলা ভাষাকে বিশ্ব অঙ্গনে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এই কবির স্থান বাঙালির চিন্তায়-মননে, আনন্দের পাশাপাশি বিষাদেও। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতও তারই সৃষ্টি।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার মূল অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে সংষ্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বিকেল ৩টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন সিনিয়র সচিব আকতারী মমতাজ।
ঢাকা ছাড়াও কবির স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নওঁগার পতিসর এবং খুলনার দক্ষিণডিহি ও পিঠাভোগে স্থানীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হবে জন্মবার্ষিকী।
রবীন্দ্রমেলা, রবীন্দ্রবিষয়ক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনের উদ্যোগে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী কবির চিত্র প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমি কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণিকা ও পোস্টার মুদ্রণ করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও আয়োজন করা হয়েছে আলাদা অনুষ্ঠান।
বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি বিভিন্ন চ্যানেলে রোববার কবির জন্মদিন উপলক্ষে সম্প্রচার করা হবে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা।
Be the first to comment on "কবি গুরুর জন্মদিনে নানা আয়োজন"