নিউজ ডেস্ক : ফেক আইডি এবং দেশের বাইরে অবস্থানরত এ্যাডমিনের মাধ্যমে পরিচালিত ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট, ব্লগ ইত্যাদির ওপর বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী এবং গোয়েন্দা সংস্থা নজরদারি করছে। এছাড়া বিটিআরসি হতে বাংলাদেশ কম্পিউটার সিকিউরিটি ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম (বিডিসিএসআইআরটি) নামে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ইন্টারনেট ভিত্তিক অপরাধ দমনে সহায়তা করা হচ্ছে। এছাড়াও ইন্টারনেট সেফটি সলিউশন (আইএসএস) নামে একটি সিস্টেম ক্রয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এসব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক অপরাধ কমিয়ে আনা সম্ভব।
রোববার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট তারানা হালিম। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, এনটিএমসি এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আসা রাষ্ট্র-সমাজ বিরোধী ও ধর্ম বিরোধী কনটেন্ট আইআইজি’র মাধ্যমে বন্ধ করা হয়ে থাকে। এছাড়া সাধারণ জনগণ কর্তৃক প্রেরিত অভিযোগের ভিত্তিতে আপত্তিকর কনটেন্ট আইআইজি’র মাধ্যমে বন্ধ করা হয়।
তিনি জানান, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সামাজিত যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারি নিশ্চিতকল্পে উক্ত ব্যবস্থাকে অধিকতর শক্তিশালি করার উদ্দেশ্যে ইন্টার সেফটি সলিউশন (আইএসএস) নামক সিস্টেম ক্রয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়াও ফেসবুক, গুগল ও মাইক্রোসফটের সঙ্গে বিশদ আলোচনাপূর্বক সমঝোতা হয়েছে যে, যুক্তগ্রাহ্য অনাকাক্সিক্ষত বিষয়সমূহে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তারা প্রতিকার বিষয়ে উত্তর পাওয়া যাবে।
মোহাম্মদ ইলিয়াছের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের পূর্ব পর্যন্ত সঠিকভাবে গ্রাহকের পরিচিতি নিশ্চিত করার কোন কার্যকরী ব্যবস্থা ছিল না। পরীক্ষামূলকভাবে নমুনা যাচাই করে দেখা যায় যে, দেশের অধিকাংশ গ্রাহকের পরিচিতি সঠিক নয়। তবে বর্তমান বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে গ্রাহকের পরিচিতি নিশ্চিতকরণ সম্ভব হচ্ছে, যা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজে সহায়তা করবে।

Be the first to comment on "তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক অপরাধ কমিয়ে আনা সম্ভব: তারানা হালিম"