নিউজ ডেস্ক : ঢাকার ধামরাইয়ে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে হানিফ নামের এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। নিহত আবু হানিফ ঢাকার কামরাঙ্গীচর থানার কামরাঙ্গীরচর জালুয়াপাড়া এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে।
পুলিশের দাবি, সন্ত্রাসীদের গুলিতে পুলিশের তিন কর্মকর্তাসহ ছয় পুলিশ আহত হয়েছেন। তাঁদেরকে সাটুরিয়া ও ধামরাই থানা কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, দুইটি চাপাতি, দুইটি চাকুসহ দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
ধামরাই থানার ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক জানান, আশুলিয়া থানা এলাকায় ৮৫ লাখ টাকা ও ধামরাইয়ের করিম টেক্সটাইল কারখানার ৬৫ লাখ টাকার ছিনতাইয়ের ঘটনার এজাহার ও চার্জশিটভুক্ত আসামি হানিফ। আশুলিয়া থানায় হানিফ পুলিশকে জানিয়েছিলেন, ধামরাইয়ের কালামপুর-কাউয়ালিপাড়া সড়কের খাগুরতা এলাকায় তার দলের সদস্যরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিতে পারে। এ ঘটনায় রবিবার রাতে আশুলিয়া ও ধামরাই থানা পুলিশ যৌথভাবে খাগুরতা এলাকায় অভিযান চালালে সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
এ সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আবু হানিফ গুরুতর আহত হন। এ ছাড়া কাউয়ালীপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই রাকিবুল ইসলাম, থানার এসআই অপূর্বদাস, আশুলিয়া থানার এসআই নজরুল ইসলাম এবং তিন কনস্টেবল আবুল হাসেম, বাছের মিয়া এবং শেখর আহত হন। পরে মুমূর্ষুাবস্থায় আবু হানিফকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কালামের উপস্থিতিতে সুরতহাল রিপোর্ট করার পর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
আহত পুলিশ সদস্যরা সাটুরিয়া ও ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। আশুলিয়া থানার ওসি মহসিনুল কাদির জানান, হানিফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি আরো জানান, ৮৫ লাখ টাকা নয় ১৫ লাখ টাকা বিকাশকর্মীর কাছ থেকে ছিনতাইয়ের ঘটনার আসামি আবু হানিফ।

Be the first to comment on "ধামরাইয়ে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সন্ত্রাসী নিহত"