নিউজ ডেস্ক: পিরিয়ডের সময় বিশেষভাবে সতর্ক থাকা উচিত মেয়েদের। মেনে চলা উচিত কয়েকটি নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি। এই সময়ে নানা ধরনের ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
পিরিয়ড হল মাসের সেই কয়েকটি দিন যা একজন নারীকে, নারী হওয়ার সম্পূর্ণতা অনুভব করায়। কিন্তু পিরিয়ড্সের ব্লিডিংয়ের থেকে নানা ধরনের ইনফেকশন হতে পারে তাই এই সময় বিশেষ কয়েকটি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত—
১) পিরিয়ডের সময় পরার জন্য প্যান্টি আলাদা করে রাখুন। ওই প্যান্টিগুলি শুধু সেই দিনগুলিতেই পরবেন। এই সময়ে দিনে তিন-চারবার প্যান্টি বদলানো উচিত। ১২-১৩ ঘণ্টা বাড়ির থাকতে হলে একটি-দু’টি প্যান্টি ব্যাগে রাথবেন সব সময়। ন্যাপকিন পাল্টানোর সময় প্যান্টিও বদলে নেওয়া উচিত।
২) বাঙালি বাড়িতে পিরিয়ড শেষ হয়ে গেলেই বিছানার চাদর পাল্টে ফেলার চল আছে। অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মত এই অভ্যাস। ঘুমোবার সময় লিকেজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। চাদর সাবানে কাচার পর স্যানিটাইজার বা ডেটলে ভিজিয়ে রেখে তবেই শুকোতে দিন।
৩) পিরিয়ড চলাকালীন ইন্টারকোর্স না করাই ভাল। পার্টনারের যৌনাঙ্গে ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে।
৪) যৌনাঙ্গ ও তার আশপাশের অংশ খুব পরিস্কার রাখা উচিত। হেভি ফ্লো-এর সময় দিনে তিন-চারবার ভিজে টিস্যু দিয়ে মুছে নিন যৌনাঙ্গের আশপাশের অংশ।
৫) স্যানিটারি ন্যাপকিন ঠিকমতো না পরলে চামড়ার সঙ্গে ঘষা লেগে ছড়ে যেতে পারে। তাছাড়া ন্যাপকিন ঠিকমতো পরা না হলে লিকেজ হওয়ার সম্ভাবনা তো থাকেই। তাই সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
৬) এক্সারসাইজ এবং যোগাসন করার পরে সঙ্গে সঙ্গেই বদলে নিন ন্যাপকিন।
৭) যৌনাঙ্গ ধোয়ার নিয়ম হল যোনি থেকে পায়ুছিদ্রের দিকে, উল্টোটা নয় কারণ পায়ুছিদ্রের আশেপাশে অনেক ব্যাকটেরিয়া থাকে, উল্টোদিকে ধুলে যোনিতে ইনফেকশন ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে।
৮) প্যাড র্যাশ হলে সুদল ব্যবহার করতে পারেন অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ মতো কোনও টপিকাল মেডিসিন।

Be the first to comment on "পিরিয়ডের সময় যে ৮টি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত"