নিউজ ডেস্ক : ইকুয়েডর উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট ব্যবহার সীমিত করার বিষয়টি স্বীকার করেছে।
তবে এক বিবৃতিতে ইকুয়েডরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট ব্যবহার সীমিত করার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।
উল্লেখ্য, অ্যাসাঞ্জ বর্তমানে লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে অবস্থান করছেন।
এর আগে উইকিলিকস অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন সম্পর্কে ডকুমেন্ট প্রকাশকারী ইন্টারনেট সাইটটিকে বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র ইকুয়েডরের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর দেশটির বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছে।
মানবাধিকার কর্মী জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ তার বিরুদ্ধে করা যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রত্যার্পন এড়াতে ২০১২ সাল থেকে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে অবস্থান করছেন।
স্প্যানিশ ভাষায় এক বিবৃতিতে ইকুয়েডরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে এমন ডকুমেন্ট প্রকাশ করা উইকিলিকসের একান্তই নিজস্ব ব্যাপার এবং কুইটো এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে চায় না।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘এটা বিবেচনা করে ইকুয়েডর এর সার্বভৌম অধিকার প্রয়োগ করে অস্থায়ীভাবে যুক্তরাজ্য দূতাবাসের যোগাযোগ ব্যবস্থার কিছু অংশে প্রবেশে বাধার সৃষ্টি করছে।’
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘ইকুয়েডর কোন দেশের চাপে নয়, বরং সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায় এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।’
এর আগে উইকিলিকস জানিয়েছিল, ইকুয়েডর শনিবার সন্ধ্যা থেকে অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেটের সংযোগ কেটে দিয়েছে।
অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট ব্যবহার সীমিত করার বিষয়টি ইকুয়েডরের স্বীকার

Be the first to comment on "অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট ব্যবহার সীমিত করার বিষয়টি ইকুয়েডরের স্বীকার"