নিউজ ডেস্ক : ইয়ান ফ্লেমিংয়ের লেখা ‘জেমস বন্ড’ চরিত্রটিকে ঘিরে উন্মাদনার শেষ নেই। শন কনারি, ডেভিড নাইভেন, জর্জ লাজেনভি, রজার মুর, টিমোথি ডালটন, পিয়ার্স ব্রসনান এভং ড্যানিয়েল ক্রেগ— চরিত্রটিকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন এই ৭ অভিনেতা।
সুপুরুষ, বুদ্ধিমান, নারীমহলে জনপ্রিয়, পর্দায় তাঁদের দেখেই গুপ্তরচরদের নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে মানুষের মনে। নাম ডাক হয়েছে ব্রিটিশ গুপ্তচর সংস্থা ‘এম আই ৬’–এরও। কিন্তু সেই ‘জেমস বন্ড’ চরিত্রটিকেই গুপ্তচর হওয়ার যোগ্য নয় বলে মন্তব্য করলেন ‘এম আই ৬’–এর মুখ্য কর্মকর্তা অ্যালেক্স ইয়াঙ্গার। তাঁর মতে, ‘বন্ড চরিত্রটি এম আই ৬–কে জনপ্রিয়তা দিয়েছে বটে। কিন্তু বাস্তবের সঙ্গে কল্পনার ঢের ফারাক রয়েছে। কাল্পনিক চরিত্রটির মতো, আমরাও গ্যাজেটস পছন্দ করি। নিরাপত্তার জন্য জান লড়িয়ে দিই। ব্যস ওই পর্যন্তই। বাকি সবকিছুই আলাদা। বাস্তব জীবনে আমাদের সংস্থায় কাজ করার সুযোগই পেত না জেমন বন্ড। রুজি রোজগারের জন্য অন্য রাস্তা দেখতে হতো। ’ ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ব্রিটিশ গুপ্তচর সংস্থা ‘এম আই ৬। ’ অ্যালেক্স ইয়াঙ্গার সংস্থার ষোড়শ মুখ্য কর্মকর্তা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নৌসেনা প্রধান জন হেনরি গডফ্রে’র অধীনে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর আদলেই সংস্থার মুখ্য কর্মকর্তা ‘এম’ চরিত্রটি রূপায়ণ করেছিলেন ফ্লেমিং। তবে তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন হেনরি গডফ্রে। বাস্তবে সংস্থার প্রধান কর্মকর্তাকে ‘সি’ বলা হয়। তিনিই সংস্থার একমাত্র সদস্য, যাঁকে প্রকাশ্যে চিহ্নিত করা যায়।
সূত্র: আজকাল

Be the first to comment on "গুপ্তচর হওয়ার যোগ্য নয় জেমস বন্ড!"