নিউজ ডেস্ক : গাজীপুরের টঙ্গীর টাম্পাকো কারখানা থেকে আরও চারটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা ৩৩ জনে দাঁড়াল। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার সকালে সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযান শুরুর পর দুটি লাশ পাওয়া যায়। এদিন তার আগে মেলে দুটি লাশের সন্ধান। দুপুর ২টার দিকে ভবনের ধসে পড়া ছাদের নিচ থেকে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়
তার এক ঘণ্টা আগে ধ্বংসস্তূপ থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আরেকটি লাশ তুলে আনেন বলে টঙ্গী থানার ওসি মো. ফিরোজ জানান। সকালে সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযানে নামার আগে দুটি লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানান গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ বর্ধন বলেন, গতকাল রাত সাড়ে নয়টার দিকে লে. কর্নেল মো. শফিউল আজমের নেতৃত্বে ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেডের সেনাসদস্যরা কারখানাটির অবস্থা পর্যবেক্ষণে আসেন। পর্যবেক্ষণ শেষে পরিকল্পনা অনুযায়ী আজ সকাল থেকে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। সেনাবাহিনীর দল প্রথমে কারখানার পূর্ব পাশে রাস্তায় ধসে পড়া ভবনের অংশ সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু করেছে।
টঙ্গীতে জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণকক্ষে এখন পর্যন্ত ১২ জন নিখোঁজ মানুষের তালিকা করা হয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হাসেম। গতকাল নিখোঁজ তালিকায় ১০ জনের নাম ছিল। নতুন যোগ হওয়া দুজন হলেন সিলেটের গোলাপগঞ্জের দক্ষিণ ফানিশাইল এলাকার রেদওয়ান আহমেদ ও বিয়ানীবাজারের আলী নগর এলাকার জয়নুল ইসলাম।
টঙ্গী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার বলেন, বিস্ফোরণ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত জুয়েল মিয়ার বাবা মো. আবদুল কাদের বাদী হয়ে গতকাল রাতে টঙ্গী মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় কারখানার মালিক সিলেট-৬ আসনের সাবেক সাংসদ সৈয়দ মকবুল হোসেনকে প্রধান আসামি এবং আরও সাতজনের নাম আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত শনিবার সকালে টঙ্গীর বিসিক শিল্প নগরীর টাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেড নামের ওই কারখানায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কারখানায় আগুন ধরে যায়।

Be the first to comment on "টাম্পাকোতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩"