শিরোনাম

ট‌্যাম্পাকোর আগুন নেভেনি, আরেকজনের মৃত‌্যু

নিউজ ডেস্ক : গাজীপুরের টঙ্গী বিসিক শিল্প নগরীতে প্যাকেজিং কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন; নিহতের সংখ‌্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে।

ট‌্যাম্পাকো ফয়েলস নামে ওই কারখানার আগুন ২৪ ঘণ্টা পরও পুরোপুরি নেভাতে পারেননি অগ্নি নির্বাপক বাহিনীর কর্মীরা। রবিবার সকালেও কারখানা ভবনের চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল জানান, ভোর রাতে রিপন দাশ নামের ৩৫ বছর বয়সী এক যুবকের মৃত‌্যু হয়।

রিপনের শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তিনি ছিলেন ওই কারখানার প্রিন্টিং অপারেটর। তার বাড়ি টাঙ্গাইলে।

এছাড়া শাহ আলম (৪৬), দিলীপ দাস (৩৬) ও রাসেল খান (২৬) নামে আরও তিনজন বর্তমানে বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন।

এছাড়া অগ্নি দুর্ঘটনায় আহত অন্তত ৩৫ জন টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সিলেটের বিএনপির সাবেক সাংসদ সৈয়দ মো. মকবুল হোসেনের মালিকানাধীন ওই কারখানায় সাড়ে চারশর মতো শ্রমিক থাকলেও শুক্রবার রাতে ৭৫ জনের মতো কাজ করছিলেন। শনিবার ঈদের ছুটি হওয়ার কথা ছিল।

শনিবার ভোরের দিকে বয়লার বিস্ফোরিত হলে পাঁচ তলা ওই কারখানা ভবনে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে জয়দেবপুর, টঙ্গী, কুর্মিটোলা, সদর দপ্তর, মিরপুর ও উত্তরাসহ আশে-পাশের ফায়ার স্টেশনের ২৫ ইউনিট নেভানোর কাজ শুরু করে।

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান আজ সকালে বলেন, শনিবার সারাদিন চেষ্টার পর গভীর রাতে আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে।

“এখনও মাঝে-মধ্যে বিভিন্ন ফ্লোরে আগুনের শিখা দেখা যাচ্ছে। তবে আগুন আর ছড়ানোর সম্ভাবনা নেই।”

সকালেও কয়েকজন কর্মীর খোঁজে কারখানার বাইরে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে তাদের স্বজনদের।

basic-bank

Be the first to comment on "ট‌্যাম্পাকোর আগুন নেভেনি, আরেকজনের মৃত‌্যু"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*