নিউজ ডেস্ক : কুরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে শুক্রবার সকাল থেকেই বাড়ির পথ ধরেন মানুষ। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে আগামী রবিবার ছুটি ঘোষণা করায় সবাই ছুটছেন বাড়ির পথে। বিশেষ করে এই বাড়ির পথে যাওয়ার চাপ বেড়েছে শুক্রবার। অার তাই বিভিন্ন মহাসড়কে থেমে থেমে চলছে গাড়ি আর বাড়ছে যাত্রার সময়ও।
ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপে শুক্রবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে অতিরিক্ত পণ্য, যাত্রী ও গরুবাহী যানবাহনের চাপ এবং এলোপাথাড়ি যানবাহন চলাচলের কারণে টানা ৩য় দিনের মতো স্থবির হয়ে পড়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ। তবে তা স্থায়ী হচ্ছে না। ধীরগতিতে চলাচল করছে যানবাহন।
বিশেষ করে কাঁচপুর ব্রিজ থেকে শুরু করে মহাসড়কের সানারপাড়, মুগদাপাড়া, ভবের চর, গজারিয়া, মেঘনা ও দাউদকান্দি গোমতী সেতুর উভয় প্রান্তে যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে নাকাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা থেকে কুমিল্লায় যাতায়াতের ২ ঘণ্টার সময়ের পরিবর্তে ৭-৮ ঘণ্টা সময় লাগছে বলে যাত্রী ও পরিবহন চালকরা জানিয়েছেন। এদিকে শুক্রবার ভোর থেকে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যানজট আরও প্রকট আকার ধারণ করে। কাঁচপুর, মেঘনা ও দাউদকান্দি গোমতী সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচলের চাপ বেড়ে যাওয়ায় হাইওয়ে পুলিশ চাপ সামলাতে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করেও পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।
বেলা ১১টায় দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আউয়াল জানান, ঈদের কারণে মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহনের বাড়তি চাপ ছাড়াও কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী সেতু সংকীর্ণ হওয়ায় ওই ৩টি সেতুর উভয় প্রান্তে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, তবে তা স্থায়ী হচ্ছে না, ধীর গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। তিনি আরও জানান, হাইওয়ে ও থানা পুলিশ মহাসড়কে যানজট নিরসনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

Be the first to comment on "ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ধীরগতিতে চলছে গাড়ি"