শিরোনাম

তিউনিসিয়ায় ওষুধ রফতানির প্রস্তাব দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, তিউনিসিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ, সিরামিক ও কাগজের চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ এ সকল পণ্য তিউনিসিয়ায় রফতানি বৃদ্ধিতে আগ্রহী। দু’দেশের ব্যবসায়ীদের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ঢাকায় সফররত (ইসলামাবাদে স্থায়ী ভাবে পোস্টিং) বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত তিউনিসিয়ার রাষ্ট্রদূত আদেল ইলারবির সাথে মতবিময়ের সময় মন্ত্রী এ সব কথা বলেন।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের মোট রপ্তানি এখন প্রায় ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর শতকরা ৫৪ ভাগ রফতানি হয় ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের দেশগুযলোতে। ৬ বিলিয়নের বেশি রপ্তানি হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ৮২ ভাগ আসে তৈরী পোশাক খাত থেকে। বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক মানের ওষুধ উৎপাদন করছে। এখন বিশ্বের ১২৪টি দেশে বাংলাদেশের তৈরি ওষুধ রফতানি হচ্ছে। প্রতিদিন ওষুধ রফতানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি বলেন, ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট(এফটিএ) স্বাক্ষর করে নিউনিসিয়ার সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধি করা সম্ভব। গত বছর বাংলাদেশ তিউনিসিয়ায় রফতানি করেছে ৪.২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য,একই সময়ে আমদানি করেছে ১২৪.৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য উভয় দেশের বেসরকারি সেক্টরকে এগিয়ে আসতে হবে। উভয় দেশের সরকারকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল নিয়ে তিউনিসিয়া সফরের আমন্ত্রন জানান। দু’দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ সরকারের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) মো. শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সচিব মুনির চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

basic-bank

Be the first to comment on "তিউনিসিয়ায় ওষুধ রফতানির প্রস্তাব দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*