নিউজ ডেস্ক : শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে শ্রম মজুরি ও ভাতাদি নির্ধারণের কার্যক্রম শুরু করেছে।
তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য মো. মনিরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে একথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ কমিশন রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানাসমূহে কর্মরত শ্রমিকদের মজুরি ও ভাতাদি নির্ধারণে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শ্রমজীবী মানুষের সঠিকভাবে শ্রমের মূল্য পাবার লক্ষ্যে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর বিধান অনুযায়ী নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে বিভিন্ন সেক্টরের শ্রমিক কর্মচারীদের নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করছে।
মুজিবুল হক বলেন, বর্তমানে ৪২টি বেসরকারি শিল্প সেক্টরের মজুরি নির্ধারণ ও পুনঃনির্ধারণ নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সুপারিশের মাধ্যমে করা হচ্ছে। প্রতি পাঁচ বছর পরপর সেক্টর ভিত্তিক মজুরি পুনঃনির্ধারণ করা হয়।
তিনি বলেন, বর্তমান সময় পর্যন্ত ৩৮টি শিল্প সেক্টরের নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সেক্টরের সংশ্লিষ্ট পক্ষের অনুরোধে ২১টি সেক্টরের মজুরি পুনঃনির্ধারণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
চুন্নু বলেন, ইতোমধ্যে ‘বিড়ি’ শিল্প, বাংলাদেশ স্থল বন্দর ও বেসরকারি নৌযান শিল্প সেক্টরের মজুরি নির্ধারণের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে এবং হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এবং হোসিয়ারী শিল্পের মজুরি নির্ধারণের প্রজ্ঞাপন মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বলেন, গার্মেন্টস শিল্প সেক্টরে ২০১০ সালের পূর্বে ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ১ হাজার ৬৬২.৫০ টাকা থেকে ৮২ ভাগ বৃদ্ধি করে ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। ২০১৩ সালে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩ হাজার টাকা থেকে ৭৭ ভাগ বৃদ্ধি করে ৫ হাজার ৩শ’ টাকা পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে, ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বরে থেকে কার্যকর হয়েছে।
তিনি বলেন, এ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মাধ্যমে কারখানা ও প্রতিষ্ঠানসমূহের নিম্নতম মজুরি প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

Be the first to comment on "‘জাতীয় মজুরি কমিশন শ্রম মজুরি নির্ধারণে কার্যক্রম শুরু করেছে’"