নিজস্ব প্রতিবেদক: বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১ লাখ ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে সরকার। যা চলতি অর্থবছরের এডিপির চেয়ে ১২ হাজার ২০০ কোটি বা ১৩ শতাংশ বেশি। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ বরাদ্দ ৫৩টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে চাহিদা অনুসারে বন্টনের নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ৯৭ হাজার কোটি টাকা। আসন্ন বাজেটে (২০১৬-১৭) তা বাড়িয়ে করা হবে ১ লাখ ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে দেয়া হবে ৬৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা এবং বাকি ৪০ হাজার কোটি টাকা উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে পাওয়ার আশা করছে সরকার।
এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এডিপির অর্থ মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর মধ্যে বন্টন করার জন্য আকার বেধে দিয়ে পরিকল্পনা কমিশনকে চিঠি দিয়েছে অর্থ বিভাগ।
পরিকল্পনা বিভাগের সচিব ও কার্যক্রম বিভাগের সদস্য তারিক উল ইসলামের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, উপযুক্ত অর্থায়ন অনুসরণ করে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের এডিপিতে মন্ত্রণালয়গুলোকে অর্থ বিতরণ করে তা অর্থ বিভাগকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আগামী মাসের (মে ২০১৬) মাঝামাঝি সময়ে নতুন এডিপি অনুমোদন পাওয়ার কথা। এ জন্য বন্টনের কাজ চূড়ান্ত করার কাজ শুরু করেছে কমিশন।
জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের এডিপির বরাদ্দে পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, রাজধানীর মেট্রোরেলসহ বড় বড় প্রকল্পে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। যেন প্রকল্পগুলোর কাজ এগিয়ে নিতে কোন সমস্যা না হয়।
সংশ্লষ্ট সূত্র জানায়, পদ্মা সেতুর কারণে চলতি অর্থবছরের মতো আগামী অর্থবছরেও পরিবহন খাতে সর্বোচ্চ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হবে। আসছে বাজেটে পদ্মা সেতুর জন্য ৮ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে সেতু বিভাগ।
এছাড়া আগামী বাজেটে বিদ্যুৎ খাতে থাকবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ। আগামী এক বছরে ১৮ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার কাজ শেষ করতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি)। একইসঙ্গে রেল, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও চাহিদা অনুসারে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

Be the first to comment on "আগামী অর্থবছরে এডিপির আকার হবে ১ লাখ ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা"