শিরোনাম

আশা আছে, হতাশাও: জায়েদ বখত

নিউজ ডেস্ক: বেসরকারি বিনিয়োগে সন্তোষজনক অগ্রগতি না থাকা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে কথা উঠলেও এবারের বাজেটে এক্ষেত্রে আশার আলো দেখছেন অর্থনীতিবিদ জায়েদ বখত।

তার ভাষায়, বাজেট বড় হওয়াটা এক্ষেত্রে ‘ইতিবাচক’, কেননা তা আগের ধারবাহিকতায় এসেছে।

“বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার সময়েও এই সম্প্রসারণমূলক বাজেটের সুফল আমরা পেয়েছি।”

বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক জায়েদ বখত বলছেন, বাজেটে বড় প্রকল্পের জন্য বিশেষ বাজেটের উদ্যোগ সফল হলে তা বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণে ভূমিকা রাখবে।

“সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি হলেই সবকিছু হবে না। এখন বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। এ জন্য নানা উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি ব্যয় বৃদ্ধিতে গুণগত মান বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্পগুলোর জন্য আলাদা বাজেট দেওয়া হয়েছে। এটা সফল হলে বেসরকারি বিনিয়োগে ইতিবাচক ফল নিয়ে আসবে।”

জায়েদ বখত বলছেন, বিনিয়োগে পুঁজির অভাব নিয়ে সমস্যা কাটাতে ‘পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ’ সমাধানের পথ দেখাতে পারে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের জন্য ইপিজেডের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

“কয়েকটি ইপিজেড হয়ে গেলেও সেটা সাকসেস স্টোরি হবে।”

তবে বাজেটের বেশ কিছু দিক নিয়ে হতাশাও প্রকাশ করেছেন এই অর্থনীতিবিদ।

“বিদ্যুৎ জ্বালানি গ্যাস সিরিয়াস সমস্যা। কিন্তু সেখানে বলা হয়েছে, কাজ চলছে। এটা স্পষ্ট হলো না। অথ্চ স্বল্প মূল্যের উৎপাদনের জন্য এটা প্রয়োজন।এ বিষয়ে চলা প্রকল্পগুলোও দ্রুত বাস্তবায়নের কোনো নির্দেশনা নাই।”

করপোরেট ট্যাক্স কেবল গার্মেন্টেসের ক্ষেত্রে না কমিয়ে আরও ‘বেশ কিছু ক্ষেত্রে’ তা করা উচিৎ ছিল বলে মত দেন জায়েদ বখত।

“আমরা ভারত থেকে, শ্রীলঙ্কা থেকে ব্যবস্থাপক নিয়ে আসছি।  নিজেদের জনশক্তির দক্ষতা উন্নয়ন করে এটা বন্ধ করতে হবে। কিন্তু বাজেটে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা হয়নি। আমাদের এখন দরকার খুব টার্গেটেডলি মানব সম্পদ উন্নয়নের প্রোগ্রাম। প্রায়োরিটিতে এটা সুনির্দিষ্ট করতে হবে।”

basic-bank

Be the first to comment on "আশা আছে, হতাশাও: জায়েদ বখত"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*