নিউজ ডেস্ক: কুলবন্ত রাম বাজিগর, বিধানসভার সদস্য। সারাক্ষণই তাকে ব্যস্ত থাকতে হয় সরকারি কাজকর্মে। এবার যুক্ত হয়েছে নতুন ব্যস্ততা, সঙ্গে টেনশনও। বিধায়ক যে দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা দেবেন! তা-ও আবার নিজের ছেলে-মেয়ের সঙ্গে!
বিধায়ক হওয়ার আগ পর্যন্তও সেভাবে পড়াশোনার গুরুত্ব বোঝেননি। বিধানসভায় ঢুকে আইন-নীতি প্রণয়নের কার্যক্রমে অংশ নিতেই বুঝতে শুরু করেন পড়াশোনা না করার ভুলটা।
সেই ভুল শোধরাতেই সিদ্ধান্ত নেন কুলবন্ত। ‘স্কুলের গণ্ডি’ পেরোতেই হবে তাকে। আর সেটা এবারই, এবার না হলে ‘নেভার’।
ভারতের হরিয়ানা অঙ্গরাজ্যের বিধায়ক কুলবন্তের এই খবর দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, ৩৮ বছর বয়সী এ রাজনীতিক কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির নেতা। ২০১৪ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিধায়ক হয়েছেন। বিধায়ক হওয়ার পরই তার ‘চোখ খুলেছে’, স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে উচ্চশিক্ষার দিকে এগোতে হবে। পরীক্ষায় পাশ করতে তাই দুই সন্তানের সঙ্গে দিনরাত বই নিয়ে বসছেন।
যদিও সংবাদমাধ্যম কুলবন্তের এই সিদ্ধান্তকে ‘বাধ্য হয়ে চোখ খোলা’ বলে দাবি করছে। তারা বলছে, বিজেপির এই বিধায়কের উচ্চশিক্ষিত হওয়ার তাগিদ গদি রক্ষার জন্যই।
কুলবন্ত বলছিলেন, ‘পৌরসভা ভোটে প্রার্থী হওয়ার জন্য ন্যূনতম দশম শ্রেণী পাশ হওয়া আবশ্যিক করে দিয়েছে হরিয়ানা সরকার। বলা যায় না, আগামী দিনে বিধায়কদের ন্যূনতম দ্বাদশ শ্রেণী পাশ আবশ্যিক করে দিতে পারে। তখন আমার কী হবে!’

Amader sikkha neoar ache.