শিরোনাম

নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারের দাবি এরশাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারের দাবি জানিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, চলমান নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার না হলে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। গণতন্ত্রও টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। শনিবার সকালে দীর্ঘ সাত বছর পর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত দলের অষ্টম জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এরশাদ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সব দলের প্রার্থীরা অংশ নেবে। দলকে ভোট দেবে মানুষ। ভোটের আনুপাতির হারে সরকার গঠন করার প্রস্তাব দেন তিনি। বলেন, এখন দেখি ৪০ ভাগ ভোট পেয়ে বিভিন্ন দল সরকার গঠন করে। নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার করা গেলে দেশে সহিংসতা হবে না। উপজেলা পরিষদকে শক্তিশালী ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তাব করেন এরশাদ। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে না পারলে দেশের উন্নয়ন হবে না।

দেশের উন্নয়নের অন্তরায় হিংসার রাজনীতি একথা উল্লেখ করে এরশাদ বলেন, আমাদের সবাইকে হিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এটিই আমাদের প্রধান শত্রু। সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে এরশাদ বলেন, আমরা ভালো নেই। কারো জীবনের নিরাপত্তা দেখছি না। একের পর এক মানুষ হত্যা হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সমালোচনা করে বলেন, যে নির্বাচনে ৮৪ জন মানুষ নিহত হয় সে নির্বাচন কখনই স্বচ্ছ হতে পারে না।

এরশাদ দাবি করেছেন, জাতীয় পার্টি সৃষ্টি হয়েছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য। জাতীয় পার্টি ছেড়ে যাওয়া নেতাদের আবার দলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে তার ওপর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল। সেনাপ্রধান হিসেবেই তাঁর ওপর দায়িত্ব এসেছিল। তখন যে কেউ সেনাপ্রধান থাকলে তাঁর ওপর ওই দায়িত্ব আসত।

এরশাদ দাবি করেন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়ে তিনি ব্যারাকে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন। এ জন্য ১৯৮৪ সালে নির্বাচন দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধান দলগুলো সে নির্বাচনে অংশ নেয়নি বলে তিনি ব্যারাকে ফিরে যেতে পারেননি। প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন, দলের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার প্রমুখ।

basic-bank

Be the first to comment on "নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারের দাবি এরশাদের"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*