নিউজ ডেস্ক: সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম মনে করছেন, সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকার এই বাজেট বাস্তবায়ন সরকারের জন্য ‘দুঃসাধ্য হবে’।
তার মতে, বিগত বছরগুলোর মত প্রকৃত রাজস্ব আদায় ও উন্নয়ন ব্যয়ের সঙ্গে বাজেটের লক্ষ্যের ‘ফারাক’ থেকে যাবে এবারও।
“সাম্প্রতিককালে কয়েকটি বাজেটেই দেখতে পাচ্ছি যে, বাজেটে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হচ্ছে তার সঙ্গে বছর শেষে যে বাস্তবায়ন হচ্ছে তার তফাতের মাত্রা ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে। এই বছরেও মনে হয় তার ধারাবাহিকতাই বজায় থাকবে।”
বিশেষ করে রাজস্ব আহরণ; এনবিআরের কর রাজস্ব, কর বহির্ভূত রাজস্ব এবং এডিপি বাস্তবায়নে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা ‘অর্জন করা সম্ভব হবে না’ বলেই মির্জ্জা আজিজের ধারণা।
প্রস্তাবিত বাজেটে প্রায় ৯৮ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎসের অর্থায়ন থেকে ৩৬ হাজার কোটি টাকা পাওয়ার যে আশা অর্থমন্ত্রী করছেন, সেখানেও সমস্যা দেখছেন মির্জ্জা আজিজ।
“বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা খুব বেশি বড় না। সমস্যা হচ্ছে বৈদেশিক ঋণ তো আমরা ব্যবহার করতে পারি না। পাইপলাইনে প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার জমে আছে। এখানে ঋণ পাওয়াটা সমস্যা না, সমস্যাটা হচ্ছে ব্যবহার করা।”

Be the first to comment on "বাস্তবায়ন দুঃসাধ্য হবে: মির্জ্জা আজিজুল"