নিউজ ডেস্ক: ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খান মিল্কী হত্যা মামলার আসামি মো.আরিফ ওরফে আরিফ হোসেনের জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।
রোববার (২২ মে) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে ৯ মে হাইকোর্ট আরিফেকে ছয় মাসের জামিন দিয়ে রুল জারি করেন। এ আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদন করলে ১৯ মে হাইকোর্টের জামিনাদেশ স্থগিত হয়ে যায়। এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটি ২২ মে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়।
রোববার এ আবেদনের শুনানি শেষে আরিফের জামিন স্থগিত রাখার আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।
২০১৩ সালের ২৯ জুলাই রাতে গুলশানের শপার্স ওয়ার্ল্ড মার্কেটের ফটকে এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন ঢাকা মহানগর যুবলীগের (দক্ষিণ) সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খান মিল্কী। এ ঘটনায় র্যাব যুবলীগ নেতা জাহিদ সিদ্দিকী তারেককে উত্তরার একটি হাসপাতাল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার করে।
পরে নিহতের ছোট ভাই মেজর রাশেদুল হক খান গুলশান থানায় হত্যা মামলা করেন।
এ মামলায় চলতি বছরের ১৪ মার্চ ১৮ আসামির বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে বিচারিক আদালত।
অভিযুক্ত ১৮ আসামি হলেন- সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল, মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে হাবিব, মো. সোহেল মাহমুদ ওরফে সোহেল ভূঁইয়া, মো. চুন্নু মিয়া, মো. আরিফ ওরফে আরিফ হোসেন, মো. সাহিদুল ইসলাম, মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ, মো. জাহাঙ্গীর মণ্ডল, ফাহিমা ইসলাম লোপা, রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, মো. শরীফ উদ্দিন চৌধুরী ওরফে পাপ্পু, তুহিন রহমান ফাহিম, সৈয়দ মুজতবা আলী প্রকাশ রুমী, মোহাম্মদ রাশেদ মাহমুদ ওরফে আলী হোসেন রাশেদ ওরফে মাহমুদ, সাইদুল ইসলাম ওরফে নুরুজ্জামান, মো. সুজন হাওলাদার, ডা. দেওয়ান মো. ফরিউদ্দৌলা ওরফে পাপ্পু ও মো. মামুন উর রশীদ।
এ মামলায় ৭৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

Be the first to comment on "মিল্কী হত্যার আসামির জামিন স্থগিত আপিল বিভাগে"