নিউজ ডেস্ক : ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়।
গত জুলাই মাসের রপ্তানি আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে প্রায় সাড়ে ৩ শতাংশ। এ মাসে মোট রপ্তানি হয়েছে আড়াই বিলিয়ন মার্কিন ডলার। রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২৫ শতাংশ পিছিয়ে রয়েছে। বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এ তথ্য জানিয়েছে। রয়টার্স।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক রপ্তানি কাক্সিক্ষত পরিমাণে না হওয়ায় রপ্তানি গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় কমে গেছে। জুলাইয়ে তৈরি পোশাক, নিটওয়্যার ও বোনা আইটেম রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ২.১২ বিলিয়ন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ৪.৪ শতাংশ।২০১৫-১৬ অর্থবছরে শেষে সর্বমোট ৩৪.২৪ বিলিয়র ডলার রপ্তানি আয় রেকর্ড করে বাংলাদেশ। যা আগের বছরের তুলনায় ৯.৭ শতাংশ বেশি। আগের বছরে পোশাক বিক্রির পরিমাণ বেশি হওয়ায় এটি সম্ভব ছিল।ইপিবি সূত্রে জানা গেছে, অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ৩৩৭ কোটি মার্কিন ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রপ্তানি আয় হয়েছে ২৫৩ কোটি ডলার। অথচ এক মাস আগে অর্থাৎ জুনে প্রায় ১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে রপ্তানি হয়েছিল ৩৫৮ কোটি ডলারের পণ্য। আর গত বছরের জুলাইয়ে রপ্তানি আয় হয়েছিল ২৬২ কোটি ডলার।
তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, ঈদের সময় কারখানায় ৭ থেকে ১০ দিন বন্ধ ছিল। এর ফলে উৎপাদন কম হয়েছে। তবে কারখানা চালু হওয়ার পর ফের পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। ফলে আগস্ট থেকে পোশাক রপ্তানি বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।তৈরি পোশাকের বাইরে পাটের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ। এ খাতের সব ধরনের পণ্যের আয় বেড়েছে। মাছ, চিংড়িসহ হিমায়িত সব পণ্যের আয় কমেছে শূন্য দশমিক ১১ শতাংশ। ওষুধের ১৯ দশমিক ৪৫, চায়ের ৩৫ ও চামড়া ও চামড়া পণ্যের রপ্তানি কমেছে দুই দশমিক ২৬ শতাংশ। তবে চামড়া পণ্যের রফতানি বেড়েছে ৩৫ শতাংশের বেশি। বাদবাকি প্রায় সব পণ্যেরই রপ্তানি আয় কমেছে গত জুলাইয়ে।
অর্থ বছরের শুরুতে হোঁচট খেলো বাংলাদেশের রপ্তানি আয়

Be the first to comment on "অর্থ বছরের শুরুতে হোঁচট খেলো বাংলাদেশের রপ্তানি আয়"