শিরোনাম

গোলাপি নোট দেখলেই বেঁকে যাচ্ছে ঠোঁট

নিউজ ডেস্ক : দু’নম্বরিদের ঠেকাতে দু’হাজারি দাওয়াই আদৌ কতটা কাজে লাগবে এ নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন উঠছে। কিন্তু এই গোলাপি নোটের চোটে সাধারণ মানুষের জীবনে এখন ত্রাহি ত্রাহি রব। এটিএম-এ টাকা আছে, কিন্তু লাইন নেই। হাপিত্যেশে চাতকের মতো চেয়ে আছে সবাই, কখন একশ’ বা পাঁচশ’র নোট যন্ত্রে ঢোকে। টাকা ভরার গাড়ি এটিএম কাউন্টারের সামনে দাঁড়ালেই লাইন পড়ে যাচ্ছে। গোনাগুনতি সামান্য যা ঢুকছে, তা দেখতে না দেখতেই উধাও। পড়ে শুধু দু’হাজার। যে গোলাপি রং গোলাপকে মনে করাতো এতদিন, এখন তা শুধুই কাঁটার খোঁচা। বাধ্য হয়ে গোলাপি নোট তুলতে হচ্ছে। কিন্তু তার পর যেন এক বিড়ম্বনা। ক্রেতা এবং বিক্রেতা- দু’তরফেই একই দশা। এই গোলাপি যন্ত্রণারই ছবি আমাদের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ধর্মতলা থেকে খিদিরপুর, হাওড়া থেকে বেলগাছিয়ায়। দেখুন, এ ছবিতে নিজেকেও খুঁজে পেয়ে যেতে পারেন।

* জাল নোট যাবে কি না ‘ঈশ্বর’ জানেন। কিন্তু সাচ্চা আর দামী নোটের জালে এখন জান পরেশান।

* এসপ্ল্যানেডের কাপড়ের ব্যবসায়ী গোপালকুমার গুপ্তা।

* কী করি এ সুন্দরীদের নিয়ে! হাওড়ায় এক এটিএম কাউন্টারের সামনে।

* হায় রে, কী যে করি এখন! এ ছবিও হাওড়ার।

* পারলাম না দাদা। ছোট নোট দিন। নিউ মার্কেটে।

* উরিব্বাবা! অসম্ভব! বেলঘরিয়া রায়বাজারে।

* সল্টলেকের এক এটিএম কাউন্টারে।

* আর নিতে পারব না! ক্ষমা করুন। খিদিরপুরের এক চা ব্যবসায়ী।

* বার বার একই কথা মুখে বলা সম্ভব নয়। হাতিবাগানের এক মুদি দোকানে।

* বেলগাছিয়া মিল্ক কলোনির এক ব্যাংক। ২৫ নভেম্বর থেকে অনেক ব্যাংকেই এমন সব নোটিশ।

সূত্র: আনন্দবাজার

basic-bank

Be the first to comment on "গোলাপি নোট দেখলেই বেঁকে যাচ্ছে ঠোঁট"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*