শিরোনাম

তনু হত্যায় প্রথম ময়নাতদন্তে ধর্ষণের আলামত নেই

নিউজ ডেস্ক : কুমিল্লার কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর প্রথম ময়নাতদন্তে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এ ছাড়া কোনো রাসায়নিক ক্রিয়ায় তনুর মৃত্যু হয়নি। আজ সোমবার বিকেলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান কামদা প্রসাদ সাহা সাংবাদিকদের প্রথম ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন সম্পর্কে জানিয়ে এ কথা বলেন।

কুমিল্লা সেনানিবাসে এই হত্যাকাণ্ডের ১৫ দিন পর সোমবার প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক দল।

বহুল আলোচিত এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে এর মধ্যে আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত হয়েছে চার দিন আগে। সেই প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি। তনুর প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক দলের প্রধান ডা. কামদা প্রসাদ সাহা আরো বলেন, ময়নাতদন্তকারী দলের সদস্য ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক শারমিন সুলতানা বিকালে তার কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তিনি এখন প্রতিবেদনটি পুলিশে দেবেন। ওই প্রতিবেদনে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের কর্মচারী ইয়ার হোসেনের মেয়ে তনুর লাশ পাওয়ার পর ধর্ষণের সন্দেহ পুলিশই প্রথম জানিয়েছিল। তনুর বাবার করা মামলায় এখনও কোনো খুনিকে শনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। থানা পুলিশ ও ডিবির হাত ঘুরে এখন তদন্ত করছে সিআইডি। সেনা কর্তৃপক্ষ এই হত্যাকাণ্ড তদন্তে বেসামরিক প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। ভিক্টোরিয়া কলেজের এই ছাত্রীর হত্যাকাণ্ডের পর থেকে প্রতিবাদে সোচ্চার এখন সারাদেশ।

সেনানিবাসের ভেতরে একটি স্টাফ কোয়ার্টারে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন তনু। হত্যাকাণ্ডের দিন সন্ধ্যায় ৩০০ গজ দূরে আরেকটি স্টাফ কোয়ার্টারে ছাত্র পড়াতে গিয়েছিলেন তিনি।

সেখান থেকে না ফেরার রাতে ইয়ার হোসেন মেয়েকে খুঁজতে বের হন। দুই স্টাফ কোয়ার্টারের মাঝের অনেকটা নির্জন পথের ধারে ঝোঁপের মধ্যে অচেতন অবস্থায় তনুকে পান তিনি। ওই স্থানটি তনুর বাসা থেকে ৯০ গজ দূরে। ইয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তনুর নাক থেতলানো ছিল, মাথার কিছু চুল ছিল কাটা।

basic-bank

Be the first to comment on "তনু হত্যায় প্রথম ময়নাতদন্তে ধর্ষণের আলামত নেই"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*