শিরোনাম

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক : ‘বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক ফেডারেশনকে পাওয়া যাচ্ছে না’ কিছুদিন পর হয়তো এমন একটি হারানো বিজ্ঞাপন দিয়েই বসতো আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক ফেডারেশন (আইএএএফ)। কারণ ১৪ মাস ধরে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক ফেডারেশন নাকি কোনো যোগাযোগই রাখছে না আইএএএফ এর সঙ্গে।

বিশ্ব অ্যাথলেটিকের অভিভাবক সংস্থাটি মেইলের পর মেইল দিয়েও কোনো জবাব পায়নি বাংলাদেশের। তাই তো সদস্য সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশের পাশে তারা কালো দাগে লিখে রেখেছে ‘নট ইন গুড স্ট্যান্ডিং’। শুধু তাই নয়, জানা গেছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সভাপতি এ এস এম আলী কবিরকে ফোন করে এক দফা শাসিয়েছেনও আইএএএফ এর শীর্স্থানীয় এক কর্মকর্তা।

আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের (আইএএএফ) অভিযোগ-২০১৬ জানুয়ারি থেকে নাকি তারা কোনো চিঠি আর, ই-মেইলের জবাব পাচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের শঙ্কা ছিল বাংলাদেশের অ্যাথলেটিক ফেডারেশন না আবার বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তাই তো এ সংস্থার ভারতীয় এক সদস্যের মাধ্যমে আলী কবীরের ফোন নম্বর সংগ্রহ করে তারা নিশ্চিত হয়েছেন কোনো মতে বেঁচে আছে বাংলাদেশে অ্যাথলেটিক।

কমিটির মেয়াদ পার হওয়ায় নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ; কিন্তু ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে স্বয়ং সভাপতি ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলণে অনিয়মের অভিযোগ তোলায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং নির্বাচন স্থগিত করে।

বাতাসে গুঞ্জন সহসাই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করবে ফেডারেশনের। কারণ আসন্ন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনের জন্য ফেডারেশনগুলোকে তাদের কাউন্সিলরদের তালিকা প্রেরণ করতে হবে এ মাসের ১৬ তারিখের মধ্যে।

নিয়ম আছে, প্রতিবছর ফেডারেশনের বাৎসিরক কার্যক্রমের প্রতিবেদন জমা দিতে হয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাকে। তবে গত দুই বছরের বার্ষিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন তাদের কাছে পাঠানো হয়নি। তাইতো ক্ষেপেছে সংস্থাটি- সাধারণ সম্পাদকের হেয়ালিপনায় ধমক খেতে হয়েছে সভাপতিকে।

কেবল ফোন করেই থেমে থাকেনি আইএএএফ, পরে একটি চিঠিও পাঠিয়েছে সভাপতিকে। সেখানেই উল্লেখ করেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্ট্যাটাস। সেখানেই বলা হয়েছে, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন ২০১৫ ও ২০১৬ সালের কার্যক্রমের প্রতিবেদন তারা পায়নি। এমন কি বারবার যোগাযোগ করার পরও না।

আইএএএফ এর বিধান ৩১ মার্চের মধ্যে আগের বছরের বার্ষিক রিপোর্ট পাঠাতে হবে। জানা গেছে, ওই সময়ের মধ্যে ২০১৫ সালের রিপোর্ট না পেয়ে একাধিকবার সময়ও বাড়িয়েছিল আন্তর্জাতিক সংস্থা। ২০১৬ সালের ১ জুলাইয়ের মধ্যে পাঠানোর সর্বশেষ সময়ও দিয়েছিল। তাতেও সাড়া পায়নি আইএএএফ।

এমন কি ২০১৬ সালে দুটি আন্তর্জাতিক মিটেও বাংলাদেশের দেখা পায়নি সংস্থাটি। এক কথায় ১৪ মাস ধরে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক ফেডারেশন নিয়ে রীতিমতো অন্ধকারেই ছিল আন্তর্জাতিক সংস্থাটি। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক ফেডারেশন থেকে বাংলাদেশ বাৎসরিক যে অনুদান পায় তাও বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। ভাগ্যিস আন্তর্জাতিক সংস্থাটি বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছিল। না হলে দেশে মরতে বসা অ্যাথলেটিক কালো তালিকায় পড়তো আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও।

basic-bank

Be the first to comment on "বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের অভিযোগ"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*