নিউজ ডেস্ক: সেক্স ডলে আর্টিশিফিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই যোগ করার খবরে ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান মন্তব্যে বলেছিল, “এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মেইনস্ট্রিমে আসছে”। বিশেষ এই কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারটি ব্যপক জনপ্রিয় হবে- এমন ধারণা থেকেই সম্ভবত ওই সরস ভবিষ্যতবাণী। তবে, ভার্চুয়াল রিয়ালিটির বেলায় হয়ত তেমন কোনো মন্তব্য আসবে না।
ভিআর প্রযুক্তির কাজে ক্যামেরার বিশাল পরিমাণের যন্ত্রপাতি পর্নোগ্রাফির অত্যন্ত অন্তরঙ্গ দৃশ্য চিত্রায়িত করার পথে বিপত্তি বিপত্তি সৃষ্টি করতে পারে, এমনটাই আশংকা পর্ন বিশেষজ্ঞদের।
পর্ন দেখার জন্য ভবিষ্যতে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হতে পারে সবচেয়ে বড় মাধ্যম। কিন্তু এ কাজে পেশাদারদের মতে, এটি পর্ন তৈরির সেটে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর এর কারণ হচ্ছে, পর্ন অভিনয়শিল্পীদের ত্রি-মাত্রিক ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের শরীরে কিছু বাড়তি যন্ত্র লাগাতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সোশাল নিউজ নেটওয়ার্কিং সাইট রেডিট-এ ‘আস্ক মি এনিথিং’ থ্রেডে পাওয়া তথ্যমতে, এ ধরনের আনুষাঙ্গিক বস্তু শরীরে যুক্ত করা হলে, তা অনেক সময় ‘মুড কিলার’-এ পরিণত হতে পারে।
কানাডাভিত্তিক পর্ণ ওয়েবসাইট পর্নহাব-এর কর্মী ‘করেয়’ তার ব্যাখ্যায় বলেন, “আমি শুনেছি পুরুষদের ক্ষেত্রে এসব ভারি আনুষাঙ্গিক যন্ত্র বুকে নিয়ে কাজ করতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়।” তিনি আরও বলেন, “এমনকি প্রায়ই দৃশ্যগুলো বার বার ধারণ করতে হয়।”
বেশিরভাগ চিত্রায়ন সাধারণত অভিনয়শিল্পীদের নিজেদেরই করতে হয়। এর কারণ পর্ন দর্শকরা দিনশেষে ভিআর ডিভাইসে কখনও পর্নে এক কোণায় লুকিয়ে থাকা ক্যামেরা ক্রু আর প্রকৌশলীদের হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখতে চাইবেন না, এমনটাই ভাষ্য ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড মিরর-এর।
সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Be the first to comment on "পর্নের বাধা ভিআর"