নিউজ ডেস্ক : সকালে থেকেই উইকেট পতনে মহোৎসব শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে। বিনা উইকেটে ৬৭ রান থেকে ৫ উইকেটে ১০৪! ৩৭ রানের মাঝে নেই ৫ উইকেট। এমতাবস্থায় লাঞ্চের আগেই শ্রীলঙ্কার জয় দেখতে পাচ্ছিলেন অনেকেই। তবে সেটা সম্ভব হলো না অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এবং উইকেটকিপার লিটন দাসের দৃঢ়তায়। দুজনে মিলে ইতিমধ্যে ৫৩ রানের জুটি গড়ে ফেলেছেন। মুশফিক ৯৭ বলে ৩৪ এবং লিটন দাস ৫৩ বলে ৩২ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।
এর আগে পঞ্চম দিনের শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অ্যাশলে গুণারত্নের বলে বোল্ড হয়ে যান দুর্দান্ত খেলতে থাকা ওপেনার সৌম্য সরকার। তিনি আজ আর কোনো রান যোগ করতে পারেননি। ৪৯ বলে ৫৩ রানের ইনিংসটিতে ৬টি চার এবং ১টি ছক্কার মার রয়েছে। উদ্বোধনী জুটিতে তামিম-সৌম্য ৬৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েছিলেন।
সৌম্যর বিদায়ের পরপরই ফিরে যান মমিনুল হক। প্রথম ইনিংসে করেছিলেন মাত্র ৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫ রান। দলের যখন একটি জুটি ভীষণ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে, তখনই দিলরুয়ান পেরেরার বলে ফিরতে হলো তাকে। রিভিউ নিয়েও আম্পায়ারের দেওয়া এলবিডাব্লিউয়ের সিদ্ধান্ত পাল্টানো গেল না। পেরেরার পরবর্তী শিকার হন তামিম ইকবাল। ৫৫ বলে ১৯ রান করা তামিম পেরেরার বলে গুণারত্নের হাতে ধরা পড়েন। প্রথম ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করে তিনি অদ্ভুতভাবে রানআউট হয়েছিলেন তিনি।
তামিমের পর আবারও পরপর দুই উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের। রঙ্গনা হেরাথের এক ওভারে ফিরে যান সাকিব আল হাসান (৮) এবং মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ (০)। প্রথম ইনিংসে ১৯ বলে ২৩ রান করে ভীষণ দৃষ্টিকটুভাবে আউট হয়েছিলেন সাকিব। আজ অবশ্য বাজে শটে আউট হননি তিনি। হেরাথকে ডিফেন্স করতে গিয়ে গ্লাভসে বল লেগে চলে যায় স্লিপে দাঁড়ানো করুণারত্নের হাতে। ১ বলের ব্যবধানে একই বোলারের বলে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ।
লাঞ্চের আগ পর্যন্ত ৩০০ রানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। ম্যাচ বাঁচাতে হলে বাকী দুই সেশন উইকেট বাঁচিয়ে লড়ে যাওয়ার কোনো বিকল্প নেই টাইগারদের।

Be the first to comment on "লাঞ্চের আগে মুশফিক-লিটনের দৃঢ়তা"