নিউজ ডেস্ক : ভারতের টেস্ট অধিনায়ক বিরাট কোহালির যখন ‘শুরু’, ইংল্যান্ড টেস্ট ক্যাপ্টেন অ্যালিস্টার কুক তখন শেষের খুব কাছে। চেন্নাই টেস্টটা বাঁচাতে পারলে হয়তো তাঁর সমালোচকদের মুখ বন্ধ করা যেত।
কিন্তু ভারতের কাছে ৪-০ তে সিরিজ হারের পর ইংলিশ মিডিয়ায় কুককে সরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠবে তা আশ্চর্যের কিছু নয়! খেলোয়াড়দের পেছনে লাগতে ইংলিশ মিডিয়ার জুড়ি মেলা ভার!
গতকাল চেন্নাই টেস্ট শেষে সংবাদ সম্মেলনেও ইংলিশ মিডিয়ার তোপের মুখে পড়লেন কুক। ভারতীয় সাংবাদিকরা কিছু বলার সুযোগই পেলেন না তেমন। যেন বিদেশের মাটিতেও নিজের দেশের একজনকে ছাড় দেবেনা তারা। তবে কুক ভীষণ ঠাণ্ডা মাথায় সব সামলালেন। বললেন, “এখনই এতবড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নয়। প্রথমে বাড়ি ফিরে ক্রিসমাস উপভোগ করব। জানুয়ারিতে অ্যান্ড্রু স্ট্রসের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করব, ইংল্যান্ড ক্রিকেটের জন্য সঠিক সিদ্ধান্তটা কী। ”
কুক আরও বলেন, “আমাকে ভাবতে হবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমিই সঠিক লোক কি না। তবে এখন সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ভুল সময়। এখন আমরা বিধ্বস্ত, এখন বোকার মতো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতে পারি। ”
ইংল্যান্ডের সামনে এখন বিশেষ টেস্ট ক্রিকেট নেই, তাই কুক আরও সময় নিয়ে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে চান। তিনি বলেছেন, “সামনের সাত মাস কোনো টেস্ট ক্রিকেট নেই। তাই এখন বোকার মতো সিদ্ধান্ত নিয়ে কী হবে? পরে সেটার জন্য হয়তো আফসোস করতে হবে। ৩ সপ্তাহের মধ্যে টেস্ট খেলতে হলে না হয় তাড়াতাড়ি একটা কিছু ঠিক করতে হত। ”
তবু ইংলিশ মিডিয়া ছাড়ার পাত্র নয়! ভারতে বসেই নিজেদের দেশের ক্রিকেট দলনেতাকে সরাসরি প্রশ্ন করে বসে, তার নেতৃত্বে টিম অচল হয়ে গিয়েছে কি না! কারণ তার টিমে উন্নতির লক্ষণ বিশেষ দেখা যাচ্ছে না। শুনে কুক বলে দেন, “হ্যাঁ, এটা আপনাদের বলা অন্যায় কিছু না। এখন আপনারা যা ইচ্ছে তাই বলতে পারেন। তবে আমি যদি আবেগে ভেসে সবাইকে গালাগালি দিতে শুরু করি, তা হলে আমার কাজটা করা হবে না। হারলে সমালোচনা হবেই। সেটা নেওয়ার সাহস থাকা উচিৎ। ”
কিন্তু টানা ৪ টেস্টে পরাজয়ের কারণ কী? কোনো ঘাটতি কি ছিল? কুক বললেন, “আমার মনে হয় না আমরা লড়াই করিনি। সবাই নিজেদের নিংড়ে দিয়েছে। কিন্তু সেটা যথেষ্ট ছিল না। দেশের মাঠে ভারতকে হারানো খুব কঠিন। বিশেষ করে ওরা যদি এ রকম ফর্মে থাকে।

Be the first to comment on "ইংলিশ মিডিয়ার তোপের মুখে কুক!"