শিরোনাম

যৌনতা বিষয়ে ১০টি চমকপ্রদ পরিসংখ্যান

নিউজ ডেস্ক : অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ, প্যাপিলোমা ভাইরাসের ঝুঁকি কিংবা অতৃপ্তি- এ সবই যৌন জীবনের যত পেরেশানি। জীবনের অতি গুরুত্বপূর্ণ এই অংশ নিয়ে মানুষের আলোচনা তেমন হয় না।

অথচ স্বাস্থ্যকর যৌনতার জন্য অনেক তথ্য জানতে হয়। এখানে জেনে নিন যৌনতা সংক্রান্ত কয়েকটি বিস্ময়কর পরিসংখ্যানের তথ্য। এর সম্পর্কে হয়তো কখনোই শোনেননি।
১. আপনি কি সংক্রমিত: প্রায় ৫০ শতাংশ নারী-পুরুষ জীবনের কোনো না কোনো সময় যৌনাঙ্গে এইপিভি সংক্রমণের শিকার হয়ে থাকে। এইচপিভি বা মানুষের দেহে ছড়ানো প্যাপিলোমাভাইরাস সাধারণত বা মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে আসতে পারে। কম ঝুঁকিপূর্ণ সংক্রমণে যৌনাঙ্গে কিছু ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। কিন্তু মারাত্মক আক্রমণে সারভিকাল এবং অন্যান্য ক্যান্সার দেখা দিতে পারে। তবে দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা টানা দুই বছর এগুলো সামলে নিতে যুদ্ধ করে।

২. মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়েছিলেন?: আমেরিকার সেনসাসের এক জরিপে বলা হয়, ২০০১-২০০৩ সালের মধ্যে যারা প্রথম সন্তান নেন, তাদের দুই-তৃতীয়াংশ গর্ভধারণের পরও কাজ করে গেছেন। কিন্তু ১৯৬১-১৯৬৫ সালের মধ্যে যারা প্রথম সন্তান নিয়েছেন, তাদের ৮০ শতাংশ গর্ভধারণের পর এক মাস বা তার কম সময় কাজে গেছেন।

৩. কয়জন সঙ্গী-সঙ্গিনী আছে?: আমেরিকার ন্যাশনাল সেন্টার ফর হেলত স্ট্যাটিস্টিকস-এ বলা হয়, ২০-৫৯ বছর বসয়ী নারীর গোটা জীবনে গড়ে ৪ জন যৌনসঙ্গী ছিলেন। আর পুরুষের ছিলেন গড়ে ৭ জন সঙ্গিনী। এক গবেষণায় বলা হয়, যৌনজীবনে যত বেশি সঙ্গী-সঙ্গিনী থাকবে, তত বেশি বিষণ্ন অবস্থা বিরাজ করবে।

৪. বন্ধুর সঙ্গে অন্যান্য সম্পর্ক?: ওয়েনি স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষণায় বলা হয়, কলেজপড়ুয়া দুই-তৃতীয়াংশের বন্ধুর সঙ্গে স্রেফ বন্ধুত্ব ছাড়াও অন্য সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এদের অর্ধেকের বেশি বন্ধুর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়িয়েছেন, ২২.৭ শতাংশ সব উপায়ে সেক্স করেছেন আর ৮ শতাংশ সঙ্গম ছাড়াও অন্য সবই করেছেন বলে জানান।

৫. সব সময় অর্গাজম ঘটে?: যৌনকর্মে ৭৫ শতাংশ পুরুষই অর্গাজম বা চরম যৌন অনুভূতি লাভ করেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে নারীদের সংখ্যা মাত্র ২৯ শতাংশ। অধিকাংশ নারী এ অনুভূতি থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন বলে জানায় ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড সোশাল লাইফ সার্ভে।

৬. ঘুমানোর সময়: ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন জানায়, আমেরিকার প্রতি দশ জোড়া বিবাহিত দম্পতির মধ্য এক জোড়াই আলাদা ঘুমান।

৭. কুমার বা কুমারী: ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সটির কিনসে ইনস্টিটিউটের পরিসংখ্যানে বলা হয়, পুরুষরা গড়ে ১৬.৯ বছর বয়সে কার কুমারত্ব হারান। আর মেয়েরা কুমারিত্ব হারান ১৭.৪ বছর বয়সে। তবে কম বয়সে সেক্সে আগ্রহী হয়ে ওঠার পেছনে বংশগত জিন, এলোমেলো জীবন ইত্যাদি শর্ত কাজ করে।

৮. সহায়তা দরকার?: ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডায়জেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিসেস থেকে বলা হয়, ৪০ বছর বয়সী ৫ শতাংশ পুরুষ এবং ৬৫ বছর বয়সী ১৫-২৫ শতাংশ পুরুষ পুরুষাঙ্গে দুর্বলতাজনিত সমস্যা ভোগেন।

৯. আকার কোনো বিষয় নয়: পুরুষাঙ্গের আকারের সঙ্গে যৌনতৃপ্তির বিষয় নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়, আকারের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে যৌনতায়। সেদিকে নজর দেওয়াই ভালো।

১০. কেন এমন করে?: এটাই প্রাকৃতিক বিষয়। মানুষের বায়োলজিক্যাল কামনা তাদের জিনকে প্রভাবিত করে। ১৮ শতকের এক রাশিয়ান নারী সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে রেকর্ড করেন। তিনি ২৭ বার গর্ভধারণ করেন এবং ৬৯টি সন্তানের জন্ম দেন। তবে পুরুষের বাবা হওয়ার রেকর্ড ভাঙতে পারেননি তিনি। এক মরোক্কান সম্রাট গিনেস বুকে স্থান করে নিয়েছেন। তিনি কমপক্ষে ৩৪২ জন কন্যা এবং ৫২৫ জন পুত্রের পিতা। ১৭২১ সালে তার বংশে ৭০০ জন পুরুষ ছিলেন। সূত্র: লাইভ সায়েন্স

basic-bank

Be the first to comment on "যৌনতা বিষয়ে ১০টি চমকপ্রদ পরিসংখ্যান"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*