নিউজ ডেস্ক : সাজা হয়েছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের। কিন্তু, মাত্র ১১ মাস হাজতবাস করে মুক্তি পেয়ে যায় আসামি। আর সেই ঘটনার ৩৭ বছর পর অভিযুক্ত কৃষ্ণ দেও তিওয়ারিকে ফের জেলবন্দি করার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি CBI-কে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশও দিয়েছে আদালত।
১৯৭৮ সালে এক খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয় কৃষ্ণ তিওয়ারি। তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয় আদালত। কিন্তু, ১৯৭৯ সালের ৯ জানুয়ারি জেল থেকে মুক্তি পায় কৃষ্ণ। অথচ তার মুক্তির কোনো সরকারি বা আদালতের নির্দেশ ছিল না।
এই বিষয় নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ২০১৪ সালে CBI-কে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালতের বিচারপতি জে এস খেহার ও বিচারপতি অরুণ মিশ্র-র বেঞ্চ। আদালত জানায়, ‘এই ঘটনাই প্রমাণ করে উত্তরপ্রদেশের পরিস্থিতি কী?’ খোদ জেলের কর্মকর্তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে আশঙ্কা করে আক্ষেপ করেন বিচারপতিরা। CBI জানিয়েছে, তিওয়ারির মুক্তি পাওয়া অত্যন্ত রহস্যজনক এবং এর সঙ্গে প্রভাবশালী মহলের যোগ থাকতে পারে। কৃষ্ণ দেও তিওয়ারির পলিগ্র্যাফ টেস্ট করার অনুমতি চেয়েও আদালতে আবেদন জানায় CBI।
শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর উত্তরপ্রদেশের বাস্তি-তে একটি আদালতে আত্মসমর্পণ করে তিওয়ারি। তার যুক্তি, ১৪ বছর জেল খাটার পরই তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। হাজতে থাকাকালীন তার ব্যবহারের কারণেই আগে মুক্তি দেয়া হয়। যদিও এই দাবি মানেননি গোয়েন্দারা। দাবি নিয়ে সন্দেহপ্রকাশ করেছে আদালতও। কৃষ্ণ দেও তিওয়ারিকে হাজতবাসের বাকি সময় পূরণ করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
সূত্র: এই সময়
১১ মাসেই মুক্তি পেল যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আসামি!

Be the first to comment on "১১ মাসেই মুক্তি পেল যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আসামি!"