নিউজ ডেস্ক : বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ভোলা জেলায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে না জেলা পরিষদ নির্বাচন। এ ব্যতীত বরিশাল বিভাগের ৫ জেলায় নির্বাচন উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর)দুপুর ২টা থেকে কেন্দ্রগুলোতে পাঠানো হচ্ছে ভোটগ্রহণের উপকরণ।
পুলিশ সুপার এসএম আক্তারুজ্জামান জানান, বাড়তি নিরাপত্তার জন্য নির্বাচনের প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামারের ব্যবস্থা করেছেন তারা।
আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার আ. হালিম বলেন, প্রত্যেক জেলাতে ১৫টি কেন্দ্রে ভোট নেয়া হবে। এজন্য প্রতি কেন্দ্রে একজন অফিসারের নেতৃত্বে ২ জন অস্ত্রধারী পুলিশ, ২ জন অস্ত্রধারী আনসার এবং নিরস্ত্র ১৫ জন আনসার মিলিয়ে ২০ সদস্যের টিম থাকছে। এছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু করতে স্টাইকিং ফোর্স, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে টিম থাকছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ভোটকক্ষে মোবাইল এবং ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে না বলেও জানান তিনি।
আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে পাওয়া তথ্যানুয়ায়ী, বরিশাল বিভাগের ৫ জেলার মধ্যে ভোলা জেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সকল প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ায় এখানে ভোট হচ্ছে না। এছাড়া চেয়ারম্যান পদে ঝালকাঠীতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্য পদের জন্য নির্বাচন হচ্ছে।
এই হিসাবে বরিশাল বিভাগের ৫টি জেলায় চেয়াম্যান পদে মাঠে রয়েছেন ১০ জন, সাধারণ সদস্য পদে ১৮৮ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ৪৯ জন।
বরিশাল জেলায় চেয়ারম্যান পদে ২ জন সাধারণ সদস্য পদে ৩৬ জন এবং সংরক্ষিত পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।এখানে ভোটার সংখ্যা ১২৪১ জন।
বরগুনা জেলায় চেয়ারম্যান পদে ২ প্রার্থী, সদস্য পদে ৩৯ জন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৩ জন মাঠে রয়েছেন। এই জেলায় ভোটার সংখ্যা ৬১৫ জন। ঝালকাঠী জেলায় নির্বাচন হচ্ছে সদস্য পদে কেবল ৫ নং ওয়ার্ডে। এখানে ৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। আর সংরক্ষিত সদস্য পদে ২টি আসনে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মাঠে রয়েছেন। এখানে ভোট প্রদান করবেন ৪৫৩ জন ভোটার।
পিরোজপুর জেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৬৩ জন, সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৫ জন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। এখানে ভোটার সংখ্যা ৭৩৫ জন। আর পটুয়াখালী জেলাতে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪৭ জন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৪টি আসনের জন্য ১০ জন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। সংরক্ষিত ২ নং আসনের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এখানে ভোটার সংখ্যা হলো ১০২৯ জন।
খায়রুল মাহসুদ মহসিন নামক এক ভোটার বলেন, এর আগে জেলা পরিষদ নির্বাচন হয়নি বলে প্রথমবারের মত ভোট দিতে যাচ্ছেন এবং এতে বেশ ভালো লাগছে। ভোটের পরিবেশ ভালো এবং আশা করছেন নির্বাচনের দিন এমন পরিবেশ বজায় থাকবে ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দিতে পারবেন।
সেলিনা পারভিন নামে আরেক ভোটার বলেন, কোন চাপ নেই, আশা করছি নির্বাচনের দিন পর্যন্ত এমন পরিবেশ বজায় থাকবে এবং নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারব।

Be the first to comment on "বরিশালে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা"