নিউজ ডেস্ক: রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসনে বর্তমান সরকারের নেয়া প্রকল্পগুলোর অন্যতম মেট্রোরেল প্রকল্পের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
একই অনুষ্ঠানে গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্টের আওতায় গাজীপুর থেকে শাহজালাল বিমানবন্দর পর্যন্ত বাস র্যাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) নির্মাণ কাজেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
মেট্রোরেল প্রকল্পের উদ্বোধন ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে।
এই প্রকল্পের আওতায় মোট ২৮ জোড়া মেট্রোরেল চলাচল করবে রাজধানীতে। রাস্তার মাঝ বরাবর উপর দিয়ে উত্তরা থেকে শুরু হয়ে মিরপুর-ফার্মগেট হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত যাবে এই মেট্রোরেল। সময় লাগবে ৪০ মিনিটেরও কম। প্রতি চার মিনিট পরপর এক হাজার ৮০০ যাত্রী নিয়ে ছুটে চলবে মেট্রোরেল, ঘণ্টায় চলাচল করবে প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী।
মেট্রোরেলের ১৬টি স্টেশন হবে- উত্তরা (উত্তর), উত্তরা (সেন্টার), উত্তরা (দক্ষিণ), পল্লবী, মিরপুর ১১, মিরপুর-১০ নম্বর, কাজীপাড়া, তালতলা, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, সোনারগাঁও, জাতীয় জাদুঘর, দোয়েল চত্বর, জাতীয় স্টেডিয়াম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক এলাকায়।
এর আগে শনিবারই রামপুরা-বনশ্রী ও বাড্ডার সংযোগ সড়কে হাতিরঝিল প্রকল্পের সাউথ ইউলুপের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এলাকাবাসীর মতে, ইউলুপটি চালু হওয়ায় রামপুরা-হাতিরঝিল, বনশ্রী এসব এলাকার যানজট অনেক কমে আসবে। বনশ্রী থেকে ছেড়ে আসা গাড়িগুলোকে হাতিরঝিল ও কারওয়ানবাজার যেতে হলে ডানে মোড় নিলেই সৃষ্টি হয় যানজটের।
মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা লাগবে, যার ১৬ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা দেবে জাপানের আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা জাইকা। বাকি ৫ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা জোগাবে সরকার। ২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জাইকার সঙ্গে চুক্তি সই করে সরকার।

Be the first to comment on "মেট্রোরেল ও বিআরটি নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী"