শিরোনাম

রিজার্ভ চুরি: দোষী প্রমাণিত হলে অর্থ ফেরত দিবে আরসিবিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফিলিপিন্সের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশন- ‘আরসিবিসি’ দোষী প্রমাণিত হলে বাংলাদেশের রিজার্ভের পাচার হওয়া অর্থ ফেরত দেয়ার কথা জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার দুর্নীতিবিরোধী ব্লু-রিবন কমিটির পঞ্চম দফায় সিনেট শুনানিতে এ কথা জানান ব্যাংকটির প্রেসিডেন্ট লরেনজো তান। এদিকে রিজার্ভের ফেরত পাওয়া অর্থের দাবিদার তৃতীয় কোনো পক্ষ না থাকলে একতরফাভাবে মুদ্রা পাচার বিষয়ক মামলা পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে দেশটির অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিল।

ফিলিপিন্সে দুর্নীতিবিরোধী সিনেট ব্লু-রিবন কমিটির পঞ্চম শুনানিতে এবার সিনেটরদের তোপের মুখে পড়েছে খোদ রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশন। ভুয়া চারটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ পাচার হয়েছে এই ব্যাংকটির মাকাতি শহরের জুপিটার শাখার মাধ্যমেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুরোধ উপেক্ষা করে দফায় দফায় পাচারকৃত অর্থের লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। আর তাই রিজার্ভ পাচারের দায় নিতে হচ্ছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকেই। আরসিবিসি’র প্রেসিডেন্ট লরেনজো তান বলেন, ‘তদন্তে আরসিবিসি যদি দোষী প্রমাণিত হয়। তাহলে রিজাল ব্যাংকের পরিচালকদের সম্মতিতে অর্থ ফেরত দেয়ার বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ‘উচ্চমাত্রার সতর্কবার্তা’ দেয়া হলে রিজার্ভ থেকে পাচার হওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের লেনদেন স্থগিত করা সম্ভব হতো বলে দাবি করেছেন ব্যাংকটির আইনি পরামর্শক। আরসিবিসি’র আইনি পরামর্শক প্রধান মিশেল এস্তাভেলো বলেন, ‘গত ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আরসিবিতে অস্পষ্ট ও সাধারণ একটি বার্তা এসেছিল। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ‘এমটি-ওয়ান নাইন টু’ কোডের উচ্চ সতর্কবার্তা পাঠানো হলেই এই লেনদেন বন্ধ করা সম্ভব হতো।’ এদিকে শুনানিতে নতুন করে গোমর ফাঁস হয়েছে ফিলিপিন্সের প্রতিষ্ঠান ফিলরেমের। পাচারকৃত অর্থ এই প্রতিষ্ঠানটিই আরসিবিসিকে ডলার থেকে পেসোতে রূপান্তর করে দিলেও রেমিট্যান্স কোম্পানি হিসেবে তাদেরই কোনো নিবন্ধন নেই দেশটিতে। সিনেট কমিটিকে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির ব্যুরো অব ইন্টারন্যাল রেভেনিউ।

basic-bank

Be the first to comment on "রিজার্ভ চুরি: দোষী প্রমাণিত হলে অর্থ ফেরত দিবে আরসিবিসি"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*