শিরোনাম

সাঁওতাল পল্লীতে এখনো থমথমে অবস্থা

নিউজ ডেস্ক :  গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের সাঁওতাল আদিবাসীদের উচ্ছেদের ৯দিন পরেও জয়পুর ও মাদারপুর সাঁওতাল পল্লীতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

ইক্ষু খামার কর্তৃপক্ষ তাদের পৈত্রিক দাবিকৃত জমি দখলে নিয়ে কাঁটা তারের বেড়া দিয়ে আদিবাসীদের স্বাভাবিক চলাচলে প্রতিবন্ধকতা করায় এই ক্ষোভ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। আতংক, ক্ষোভ আর কর্মহীনভাবে নিয়ে নিজ পল্লীতেই অনেকটা অসহায় অবস্থাতেই দিন কাটছে তাদের। এদিকে ৯দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন তদন্ত কমিটি গঠিত হয়নি বা সাঁওতালদের চলমান দাবি-দাওয়ারও কোন সুরাহা হয়নি।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের জয়পুর ও মাদারপুর গ্রামের সাঁওতাল পল্লীর ৬শ’ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সংকট বিরাজ করছে বলে সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করে জানা গেছে। অর্থ-যোগানের ব্যবস্থা না থাকায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও ক্রয় করতে পারছেন না। এছাড়া কাজের সুযোগ না থাকায় শ্রমজীবী সাঁওতাল পরিবারের লোকজন সারাদিনে একবেলা মাত্র রাতে ভাত খাচ্ছে।

সাঁওতালদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সাঁওতাল পরিবারগুলো অত্যান্ত সংঘবদ্ধ এবং বিক্ষুব্ধ। তাদের একটাই কথা- ‘একই কথা কতবার বলবো, বার বার একই কথা বলতে বলতে আমাদের গলা তো শুকিয়ে গেছে। কিন্তু কোন কাজ তো হচ্ছে না। আগে হামারগুলার দাবি-দাওয়াগুলো পূরণ করেন, বাপ-দাদার জমি ফিরাইয়া দেন। তারপর অন্য কথা। হামার বাড়িঘর জ্বালাইয়া দিলো, বাড়ির পালিত একটি ছোট্ট শুয়োরের বাচ্চা পর্যন্ত লুট করে নিয়া গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোন বিচার হইল না।’

এদিকে বর্তমান ইস্যুটি ব্যাপক আলোচিত হওয়ায় সাঁওতালেরা স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে কিছুটা একঘরে হয়েছেন। তাদের পক্ষে-বিপক্ষে কিছু গণমাধ্যমে অপপ্রচার করায় সহজে কারো কাছে তারা নিজেদের দাবী দাওয়া নিয়েও এখন আর সহজে মুখ খুলতে চাইছেন না। সাঁওতাল পল্লীর মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন থাকলেও ক্ষোভে প্রশাসনের দেয়া কোন ধরণের ত্রাণ তারা গ্রহণ করেনি। সোমবার স্থানীয় প্রশাসন খাদ্যসামগ্রীসহ এক ট্রাক ত্রাণ সামগ্রী সাঁওতাল পল্লীতে পাঠালেও দিন শেষে তা ফেরত পাঠানো হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের যে টিমটি ১৩ নবেম্বর রবিবার গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামার সংলগ্ন জয়পুর ও মাদারপুর সাঁওতাল পল্লী পরিদর্শন করেন। তারা সাঁওতালদের ঘরে ঘরে যান তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং সাঁওতালদের এক সমাবেশে বক্তব্যও রাখেন। এসময় সাঁওতালরা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের কাছে সহিংসতা এবং তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি ফিরে পাওয়াসহ সুনির্দিষ্ট দাবি দাওয়া উত্থাপন করেন। এছাড়াও এ পর্যন্ত বিরোধী দলসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও মানবাধিকার কমিশনের পরিচালকসহ জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু তাদের সবার কাছে সাঁওতালদের উত্থাপিত এসমস্ত দাবি-দাওয়া সম্পর্কে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বা কোন পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত কোন সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি বা তাদের দাবি অনুযায়ি কোন পদক্ষেপও গৃহীত হয়নি। ফলে সাঁওতাল পরিবারগুলো চরম হতাশায় দিনাতিপাত করছে বলে তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

তবে এব্যাপারে সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামার ভূমি উদ্ধার কমিটির সহ-সভাপতি ফিলিমন বাসকে, পাওলুস মাষ্টার ও মাদারপুর গ্রামের ইলিখা মার্ডির সাথে কথা বললে তারা জানান, তাদের বাপ-দাদার সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করে তাদেরকে ওই সম্পত্তি থেকে চিরদিনের জন্য বঞ্চিত করার পদক্ষেপ হিসেবেই বর্তমানে মিল কর্তৃপক্ষ খুব দ্রুত কাঁটা তারের বেড়া দিয়ে জমিগুলো ঘেরাও করে ফেলছে। যা তারা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না। সুতরাং তাদের অন্যতম দাবি হচ্ছে অবিলম্বে কাটা তারের বেড়া তুলে ফেলা হোক এবং যে জমি থেকে জোর পূর্বক তাদেরকে উচ্ছেদ করা হয়েছে সেই জমিই তাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হোক। যেন তারা সেখানেই বসতি স্থাপন করে বসবাস করতে পারে। তদুপরি তারা মনে করেন, মিল কর্তৃপক্ষের কথামত প্রশাসন ও পুলিশ সম্পুর্ণ বেআইনীভাবে বিনা নোটিশে এবং কোন উচ্ছেদ নীতিমালা না মেনেই যৌথ বাহিনীর অভিযানে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসময় তাদের বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক লুটপাট করা হয়। পুলিশের গুলিতে তাদের দাবি অনুযায়ি ৩ জন নিহত ৮ জন নিখোঁজ ব্যক্তির  ক্ষতি পূরণের ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এছাড়া অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের ফলে যে ব্যাপক ক্ষতি হয় তা পূরণেরও কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

সর্বোপরি সাঁওতালদের পৈত্রিক ভূমি উদ্ধার, তাদের নামে মামলা প্রত্যাহার, নির্দিষ্ট ১শ’ একর জমিতে বসতি স্থাপনের নামে চাঁদা আদায় এবং যাদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ মদদে এবং নেতৃত্বে উচ্ছেদসহ লুটপাট ও হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ তাদের গ্রেফতার না করায় সাঁওতাল পরিবারগুলো বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে।

সেজন্য তারা মনে করছে অসহায় এই সাঁওতালদের সেক্ষেত্রে তাদের মূল দাবি এড়িয়ে ত্রাণের নামে সামান্য খাদ্য দিয়ে এবং গালভরা নানা আশ্বাস দিয়ে আমাদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যা ক্ষতিগ্রস্ত আদিবাসীরা কোনক্রমেই মেনে নেবে না। তারা চায় তাদের মূল দাবিগুলো অবিলম্বে মেনে নেয়া হোক।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ পরিদর্শনকালে সাঁওতালরা যে বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন তা হচ্ছে- নির্যাতিতরা মামলা করতে পারছেন না। কাটা তারের বেড়া দিয়ে তাদের দাবিকৃত জমি ঘেরাও করে রাখা হয়েছে। এটা কি দেশের ভেতরে আরেক দেশ নাকি। তারা বলেন, সাঁওতালদের আন্দোলনের জন্য সংগৃহীত সাড়ে ৫ লাখ টাকা লুট করে নেয়া হয়েছে। তারা প্রশ্ন করেন, বসতি উচ্ছেদের ব্যাপারে কোর্টের কোন আদেশ ছিল কি না? যদি তা না থেকে থাকে তবে কোন ক্ষমতা বলে এ নির্মম পদ্ধতিতে সাঁওতালদের উচ্ছেদ করা হলো- এ প্রশ্ন রাখেন তারা। তারা বলেছেন, একদিকে সাঁওতালদের সহানুভূতি দেখানো হচ্ছে, অপরদিকে আহত সাঁওতালদের হাসপাতালের বেডে হাতকড়া পরিয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য করছেন, এ কোন মানবিক আচরণ? তাদের দাবি ৪০ সালের রেকর্ড অনুযায়ি যাদের জমি ছিল তাদের তা ফিরিয়ে দিতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সবধরণের ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা আসলে ওই জমির ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে তাৎক্ষনিক সুস্পষ্ট বক্তব্য আশা করেছিলেন। যা না পেয়ে তাদের মধ্যে এই হতাশা বিরাজ করছে এবং ক্ষোভ পুঞ্জভিত হচ্ছে।

তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরেজমিনে ঘটনা পরিদর্শনে আসা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ সেদিন সমাবেশে বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তারা আদিবাসীদের সমস্যা সমাধানের নির্দেশনা নিয়ে এখানে এসেছেন। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন করা হবে। ভূমিহীনদের কৃষি জমি দেয়া হবে। কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ব্যবসা করার জন্য পুঁজি দেয়া হবে। সেইসাথে শিক্ষা বিস্তারের জন্য এলাকায় আরও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। তারা আরও বলেন, তালিকা প্রণয়ন করে ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হবে। সংখ্যালঘু প্রসঙ্গে বলেন, তাদের পূর্ণ নিরাপত্তা দেয়া হবে। এ ঘটনার নেপথ্যে থেকে যারাই ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকুক না কেন- তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আদিবাসীদের বাপ-দাদার জমির ব্যাপারে তারা বলেন, সবকিছু দেখে শুনে তার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাঁওতালদের উচ্ছেদের নামে সেদিন কি ঘটেছিল ॥ ৬ নবেম্বর সন্ধ্যায় গোবিন্দগঞ্জে চিনিকল কর্মী ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষের সময় সাঁওতালদের উপর গুলির নির্দেশ কারা দিয়েছিলেন তা জানতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সুব্রত কুমার সরকার জানান, সেদিন ৫ ম্যাজিস্ট্রেটকে আইন শৃংখলা রক্ষার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। সাঁওতালরা তীর-ধনুক নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের উপর চড়াও হয়। তাৎক্ষনিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুলির নির্দেশ দেয়া হয় বলে জানা গেছে। ওই পাঁচজন হলেন- গোবিন্দগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহমেদ আলী, পলাশবাড়ি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌহিদুল ইসলাম, জেলা কালেক্টরেটের ম্যাজিস্ট্রেট রাফিউল ইসলাম ও মেজবাহ উদ্দিন।

গোবিন্দগঞ্জের ইউএনও আব্দুল হান্নান বলেন, উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে গুলি ছোড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। গত ৬ নভেম্বর রংপুর চিনিকলের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ও সাঁওতালদের সংঘর্ষ থামাতে গুলি চালাতে বাধ্য হয় পুলিশ। তিনি বলেন, ঘটনার দিন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদের কাছে ম্যাজিস্ট্রেট চেয়ে একটি আবেদন করা হয় পুলিশ সুপারের বিশেষ শাখা থেকে। তখন ওই ম্যাজিষ্ট্রেটদের ওই স্থানে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়।

আহত পুলিশদের অবস্থা ॥ ৬ নবেম্বর রোববার রংপুর চিনিকলের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারে আখের বীজ কাটাকে কেন্দ্র করে সাঁওতাল এবং মিল শ্রমিকদের সংঘর্ষ থামাতে গেলে সাঁওতালদের তীর ধনুকের ছোড়া বিষাক্ত তীরে গুরুতর আহত হয়েছিল ৮ জন পুলিশ। গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোবাইল ফোনে জানান, এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এএসআই শামীম হোসেন (৭৮৩), আসাদুজ্জামান (৭৩১), রিয়াজুল ইসলাম (১৪৮) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতালে এএসআই রাজু আহমেদ (৪২), নায়েক মনিরুল ইসলাম (৮৭) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের শরীর থেকে জটিল অপারেশনের মাধ্যমে তীর বের করা সম্ভব হলেও গুরুতর আহত হওয়ায় এখনও তারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন এএসআই প্রফুল্ল কুমার, কনস্টেবল আবু বকর সিদ্দিক (৪৫৩) এর শরীর থেকে জটিল অপারেশনের মাধ্যমে তীর বের করে সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে রিলিজ করা হয়েছে। এব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সুব্রত কুমার সরকার জানান, যদি ঘটনার দিন পুলিশের গাঁয়ে বুলেট প্রুফ জ্যাকেট এবং মাথায় হেলমেট না থাকতো তাহলে ওই তীরে অনেক পুলিশ নিহত হতো।

প্রসঙ্গত উল্লেখ, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রংপুর চিনিকল কর্তৃপক্ষ ১৯৬২ সালে আখ চাষের জন্য গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ এলাকায় সাঁওতাল সম্প্রদায়ের কাছ থেকে ১ হাজার ৮৪২ একর জমি অধিগ্রহণ করে।

কিন্তু দীর্ঘদিন ওইসব জমিতে মিল কর্তৃপক্ষ আখ চাষ না করে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালির কাছে লিজ প্রদান করে। তারা লিজ নেয়ার পর ওইসব জমিতে তামাক, ধান, শাক-সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ করতে থাকে। এছাড়া এসব জমিতে ১২টি পুকুর খনন করে মাছ চাষ করছে প্রভাবশালিরা।

এদিকে মিলের জমিতে আখ চাষ না হওয়ায় দুইবছর আগে এসব জমি বাপ-দাদার জমি ফেরৎ দেবার কথা বলে প্রভাবশালী নেতারা এসব সাঁওতাল সম্প্রদায়ের অসহায় লোকজনকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করে। চলতি মাসের ৬ তারিখে পুলিশ-ইক্ষু শ্রমিক ও সাঁওতালদের সাথে ত্রি-মূখী সংঘর্ষে দু’ সাঁওতালের মৃত্যু হয়। আহত হয় পুলিশসহ ৩০ জন। তবে সাঁওতালদের মতে, নিহত হয়েছেন ৩ এবং নিখোঁজ ৮ রয়েছেন জন।

 

basic-bank

Be the first to comment on "সাঁওতাল পল্লীতে এখনো থমথমে অবস্থা"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*