নিউজ ডেস্ক : আপনি যদি আগামী বছর ফোনগুলো কোথায় যাচ্ছে তা ভেবে থাকেন, তাহলে যাদুকরী থ্রিডি স্ক্যানিং ক্যামেরার কথা ভাবুন।
২০১৬ সালে ভার্চুয়াল বাস্তবতা একটি কমবেশি বোধগম্য ধারণা।
আপনি একটি হেডসেট পরুন, নিজেক আপনি ত্রিমাত্রিক জগতে আবিষ্কার করবেন। কিন্তু উদ্দীপিত বাস্তবতা সম্পর্কে এখনো কিছু ভুল বুঝাবু্ঝি বা বুঝের ঘাটতি রয়েছে।
আপনি একটি হেডসেট পরে উদ্দীপিত বাস্তবতায় ডুবে যেতে পারবেন। এবং ত্রিমাত্রিক বস্তুসমূহ আপনার বাস্তব জগতে অভিক্ষিপ্ত হতে দেখবেন। একে বলা হয় “মিশ্র বাস্তবতা”। তবে উদ্দীপিত বাস্তবতায় ডুব দেওয়ার জন্য হেডসেট জরুরি নয়। শুধু ফোন ব্যবহার করেও এটা করা যায়। যে ফোনে থাকবে গুগলের ট্যাঙ্গো প্রযুক্তি।
ট্যাঙ্গো হলো ফোনের জন্য খুবই অগ্রসর ধরনের পরবর্তী প্রজন্মের ক্যামেরা প্রযুক্তি। এটি হলো মূলত একাধিক ক্যামেরার বিন্যাস যা ত্রিমাত্রিক গভীরতাসহ ছবি তুলতে সক্ষম। বর্তমানে লেনোভো ফ্যাব টু প্রো নামের ফোনে এটি পাওয়া যাচ্ছে।
আগামী বছর থেকে আপনি আরো ফোনে যেসব প্রযুক্তি পাবেন:
গভীর পটভুমিযুক্ত ছবি তুলতে সক্ষম ক্যামেরা
যা আপনাকে ভার্চুয়াল জিনিসগুলো বাস্তব জগতে স্থাপন করতে সহায়তা করবে। এ জন্য ব্যবহৃত হবে ইনফ্রারেড ক্যামেরা, ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা এবং অতিরিক্ত আরজিবি ক্যামেরা ট্র্যাক। এই ক্যামেরা প্রযুক্তিগুলো তাৎক্ষণিক পরিবেশের চিত্র ধারণ করতে এবং ত্রিমাত্রিক স্পেসের মানচিত্র আঁকতে সক্ষম। এমনকি এসব ক্যামেরা বস্তুর প্রান্তও ধরতে সক্ষম।
থ্রিডি স্ক্যানিং
ট্যাঙ্গো প্রযুক্তি দিয়ে সবচেয়ে বিস্ময়কর যে কাজটি করা যাবে তা হলো হোল-রুম থ্রিডি স্ক্যানিং। ম্যাটারপোর্ট অ্যাপটি ধীরে একটি নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধে অবস্থিত সবকিছুই স্ক্যান করে। স্ক্যানের মাধ্যমে ধারণকৃত চিত্রগুলোকে অনেকটা হাতে আঁকা চিত্রকর্ম বলে মনে হবে।
খুব বেশি কাছে বা খুব বেশি দূরে যেতে পারবেন না
ট্যাঙ্গো হলো খুঁতখুঁতে। এটা অনেকটা একটি এক্সবক্স কিনেক্ট ক্যামেরার মতো। যা কোঁকড়ানো এবং একটি ফোনে রাখা। এটি শুধু নির্দিষ্ট দূরত্ব পর্যন্ত ছবি তুলতে সক্ষম। সুতরাং অতি দূরের কোনো বস্তু এতে তুলে আন সম্ভব নয়। মাত্র এক বা দুই কদম দুরের বস্তুই শুধু এতে ধরা পড়বে।
মোটোরোলা ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছে, তাদের মোটো জেড ফোনগুলোতে ভবিষ্যতে ট্যাঙ্গো সোয়াপেবল মডিউল যুক্ত করা হবে। অন্যান্য ফোনে আরো বেশি অগ্রসর গভীরতা অনুভবকারী ফিচার যুক্ত করা হবে। ইন্টেলের রিয়ালসেন্স ক্যামেরাতেও অন্যান্য ডিভাইস যুক্ত করে বাজারে আনা হতে পারে। আর মাইক্রোসফটের আসন্ন থ্রি ডি-স্ক্যানিং অ্যাপ যা উইন্ডোজ ১০ এ যুক্ত করা হবে তাও নিয়মিত ফোনে একই কৌশল ব্যবহার করা শিখছে।
অক্সিপেন্টাল এর মতো কম্পানিগুলো স্ট্রাকচার এর মতো পটভুমির গভীরতা উপলব্ধিকারী ক্যামেরা বানাচ্ছে। যা আইফোনের জন্য আলাদা অ্যাড-অন সম্প্রসারণ হিসেবে যুক্ত হবে। কম্পিউটার ভিশন প্রযুক্তি যত অগ্রসর হবে ততই সফটওয়্যারের মাধ্যমে উদ্দীপিত বাস্তবতার কৌশল সম্পন্ন করা যাবে।
সূত্র: সি নেট

Be the first to comment on "২০১৭ সালে আপনার ফোনের ক্যামেরায় থাকবে পরাশক্তি!"