নিউজ ডেস্ক : ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে অস্ত্রোপচারের পর স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে শিশু সাবিনা। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার আগে তার অবস্থা সম্পর্কে কিছু বলা যাবে না।
আশকোনার জঙ্গি আস্তানায় ‘আত্মঘাতী’ বোমার স্প্লিন্টার তার শরীরটির বিভিন্ন জায়গায় ঢুকে গেছে। অনেক রক্ত পড়েছে। মাথা, হাতসহ বিভিন্ন জায়গায় ব্যান্ডেজ। নির্লিপ্ত চাহনি খুঁজছে বাবা-মা বা কোনো স্বজনকে। কিন্তু নেই পরিচিত একজনও। তাকে ঘিরে হট্টগোল। বন্দুকধারী পুলিশ, চিকিৎসক আর সাংবাদিকদের ভিড়।
গতকাল শনিবার বেলা ২টার দিকে শিশুটিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। তখনই এ রকম একটা পরিস্থিতি তৈরি হয় তাকে ঘিরে। হাসপাতালে গতকাল রাত সোয়া ১০টার দিকে চিকিৎসকেরা তার শরীরে অস্ত্রোপচার করেন।
অস্ত্রোপচার শেষে চিকিৎসক মোশতাক আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, শিশুটির পেটের নাড়িতে স্প্লিন্টারের আঘাতে পাঁচটি ফুটো হয়েছে। সেখানে অস্ত্রোপচার হয়েছে। তবে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার আগে তার অবস্থা সম্পর্কে কিছু বলা যাবে না।
বিস্ফোরণে আহত হওয়ার পর শিশুটিকে প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। পরে শিশুটিকে নাকে অক্সিজেনের নল লাগানো অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ব্লকে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকেরা বলেন, শিশুটির হাত, পেট ও পায়ে ব্যান্ডেজ লাগানো ছিল। চিকিৎসকেরা অক্সিজেন মাস্ক খোলার পর সে তার নাম বলে সাবিনা, বাবা ইকবাল আর মা শাকিরা বলেও জানায় সে। এরপর তাকে অস্ত্রোপচারকক্ষে নেওয়া হয়।

Be the first to comment on "অস্ত্রোপচারের পর সাবিনার অবস্থা স্থিতিশীল, খুঁজছে স্বজনদের"