নিউজ ডেস্ক : গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতালদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনাটি তাৎক্ষণিক উত্তেজনাপ্রসূত। কোনো পক্ষই পূর্ব পরিকল্পনামাফিক এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটায়নি।
একারণে স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশের ভূমিকা ছিল উত্তেজনা নিরসনমূলক। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে কমিশনের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা সুপারিশ করা হয়েছে।
আজ বুধবার আদালতে উপস্থপান করা সুপারিশে বলা হয়েছে, আত্মরক্ষামূলক বিষয়ে আরো দক্ষতা অর্জন করে পুলিশকে এ ধরনের ঘটনায় আরো কোমল, নমনীয় এবং মানবিক ভূমিকা রাখতে হবে। পাশপাশি সংঘর্ষের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সাঁওতাল সম্প্রদায় এবং অন্যান্যদের মধ্যে আত্মার সম্পর্ক বজায় রাখতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্তদের মানবিক সহায়তা প্রদান করতে বলেছে কমিশন।
বুধবার এই সংক্রান্ত একটি মামলা শুনানিকালে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের ডিভিশন বেঞ্চে এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহের হোসেন সাজু। গত ৬ নভেম্বর সাঁওতালদের উচ্ছেদ ও হামরার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। কমিশনের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মোহম্মদ ইসরাত হোসেন খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন ভুক্তভোগী প্রত্যক্ষদর্শী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।

Be the first to comment on "‘আত্মরক্ষায় পুলিশকে আরো নমনীয় হতে হবে’"