নিউজ ডেস্ক : ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের মেওয়াতে গরুর মাংস খাওয়ার অপরাধে এক তরুণী ও কিশোরীকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ধর্ষণের আগে ধর্ষকরা ওই দুই নারীকে এ কথা বলেছিল।
রবিবার এনডিটিভি অনলাইন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এছাড়ও একই তথ্য জানিয়েছে জিনিউজ।
গত ২৪ আগস্ট ২০ বছরের তরুনী ও তার চাচাতো বোনকে (১৪) বাড়িতে প্রবেশ করে গণধর্ষণ করে দুর্বৃত্তরা। এসময় ওই তরুনীর চাচা ও চাচীকে বেঁধে রাখা হয়। পরে পিটিয়ে তাদের হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ওই গ্রামের চার তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রথমে তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ আনে পুলিশ। পরে এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে এদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনতে বাধ্য হয় পুলিশ।
ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে জানতে চেয়েছিল আমরা গরুর মাংস খাই কি না। আমরা না বলেছিলাম। কিন্তু তারা বলেছিল, এ কারণেই আমাদের শাস্তি দেওয়া হবে।’
হরিয়ানায় গরু জবাই ও মাংস বিক্রি অবৈধ। রাজ্যে গরুর মাংস বিক্রি অথবা সংরক্ষণ করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১ থেকে ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে রাজ্যটিতে গরু পাচারের ওপর নজরদারি করছে কট্টরপন্থী হিন্দুদের একটি গ্রুপ। গত জুনে গরু বহনের অভিযোগে এক ট্রাকচালককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল।
গরুর মাংস খাওয়ায় গণধর্ষণ!

Be the first to comment on "গরুর মাংস খাওয়ায় গণধর্ষণ!"