শিরোনাম

নড়াইলে শ্রীদেবীর শ্রীতে প্রেমিকের ব্লেড

নড়াইলে শ্রীদেবীর শ্রীহীন অবস্থা

নিউজ ডেস্ক : নড়াইলে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ব্লেড দিয়ে পোচিয়ে জখম করেছে প্রেমিক অঙ্গদ ঠাকুর (২২) । এতে মেয়েটির মুখের বাম চোয়ালে মারাত্মক জখম হয়। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে জেলার নড়াগাতি থানার মহাজন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে ওই দিন রাত ১২টা ২০ মিনিটে লোহাগড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত শ্রীদেবী বিশ্বাস মাউলী ইউনিয়নের মহাজন গ্রামের তাপোস বিশ্বাসের মেয়ে। সে বড়দিয়া বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।
শ্রীদেবীর মাশিমা (খালা) ভগো বিশ্বাস ও দিদি (বোন) কাকলী বিশ্বাস জানান, একই গ্রাম ও সম্প্রদায়ের কুটিশ্বর ঠাকুরের বড়দিয়া কলেজে ডিগ্রি পড়য়া ছেলে অঙ্গদ ঠাকুর এবং শ্রীদেবী একই সাথে দীর্ঘদিন ধরে স্কুল ও কলেজে যাওয়া আসা করার সুবাদে প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ঘটনার দিন স্বরসতি পুজার দিবাগত রাত আনুমানিক ৯টার দিকে অঙ্গদ ঠাকুর ও তার বন্ধুরা আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পুজার আনন্দ ও বাদ্যযন্ত্রের মধ্যে বাড়ির ওঠানে হঠাৎ শ্রীদেবীর চিৎকার শুনে দৌড়ে গিয়ে তার মুখে রক্তাক্ত অবস্থা দেখে স্থানীয় মহাজন বাজারের পল্লি চিকিৎসক বিষ্ণু পদ’র নিকট নিলে তিনি তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
পরে লোহাগড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান শ্রীদেবীর মুখের বাম চোয়ালে দু’ইঞ্চি পরিমান ক্ষত হওয়ায় ৮টি সেলাই দেওয়া হয়েছে।
কুটিশ্বর ঠাকুরের স্ত্রী বলেন, ছেলের সাথে শ্রীদেবীর সর্ম্পক ছিল এটা সত্য কিন্তু তার ছেলে এমন কাজ করেনী। আমার ছেলের বিদেশ (সৌদিআরব) যাওয়ার সকল কাগজ পত্র প্রায় ঠিক হয়েছে, শুধু বিয়ে দেওয়ার জন্য এটা সর্ম্পুন সাজানো ঘটনা।
লোহাগড়া হাসপাতালে ভর্তিরত শ্রীদেবীর নিকট জানতে চাইলে সে মুখ ডেকে আড়াল করার চেষ্টা করে এই প্রতিবেদককে বলেন, স্বরসতি পুজায় বাড়ি ভরা লোকের মাঝে আনন্দ উল্লাসের মাঝে টিউবওয়েল পাড়ে পড়ে গিয়ে সামান্য কেটেছে। শ্রীদেবীর শয্যাপাশে ঠাকুরমা (নানী) ও একই কথা বলেন।
নড়াগাতি থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ওই ঘটনায় পুলিশের কাছে লিখিত ভাবে কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

basic-bank

Be the first to comment on "নড়াইলে শ্রীদেবীর শ্রীতে প্রেমিকের ব্লেড"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*