নিউজ ডেস্ক ॥ পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদকে নিয়ে ভাইরাল হওয়া ভিডিওকে ফেক দাবি করেছেন তিনি। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ দাবি করেন, ভাইরাল হওয়া ছবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, ছবিটি সম্পূর্ণ ভুয়া। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এ ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে থাকতে পারে।
বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট দলের আইডি থেকে এই ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে। যদিও এই ভিডিওতে শুধুমাত্র দু-একটি স্থির ছবি তৈরি করে এ প্রচারণা শুরু করা হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা মনে করছেন, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের নৈতিক স্খলনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় এবার তার পাল্টা হিসেবে ফরহাদ হোসেন আজাদকে টার্গেট করা হয়েছে। গত ২০ জুলাই ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়। এর প্রেক্ষিতে এরই মধ্যে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, ওই ঘটনায় মারাত্মকভাবে ইমেজ সংকটে পড়া জামায়াতের নেতাকর্মীরা এবার বিএনপির নেতা ফরহাদ হোসেন আজাদকে টার্গেট করেছেন। আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত ভিডিওতে একজন নারীর ছবি দেখা গেলেও তার মুখমন্ডল দেখা যায়নি। স্থানীয় ফ্যাক্ট চেকের মাধ্যমেও ওই ভিডিওর সত্যতা পাওয়া যায়নি। পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতা ইসমাইল হোসেন বলেন, ফরহাদ হোসেন আজাদ ছাত্রদলের সোনালী অতীত। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার রাজনীতিকে কলঙ্কিত করতেই একটি চিহ্নিত মহল উঠেপড়ে লেগেছে। ভাইরাল পোস্টে ব্যবহৃত ছবিটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, এটি একটি কোলাজধর্মী ছবি। এতে একটি আপত্তিকর দৃশ্যের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর পৃথক একটি প্রতিকৃতি সংযুক্ত করা হয়েছে। ছবিটির বিভিন্ন অংশে আলো-ছায়া, মুখাবয়ব, শরীরের অনুপাত এবং ডিজিটাল সম্পাদনার কিছু অসামঞ্জস্য লক্ষ্য করা যায়। তবে কেবল দৃশ্যগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। এ ধরনের ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বা উন্নত সম্পাদনা প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা সম্ভব বলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভিডিও ভাইরাল, ফেক দাবি’
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভিডিও ভাইরাল, ফেক দাবি'
Be the first to comment on "পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভিডিও ভাইরাল, ফেক দাবি’"