নিউজ ডেস্ক : মুম্বাইয়ের ভয়ান্দরে একটি ফ্ল্যাট থেকে মা ও মেয়ের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় প্রতিবেশীরাই খবর দেন পুলিশে।
নভগড় থানার পুলিশ এসে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। মৃতদের নাম দীপিকা কার্তিক সাংভি (২৯) ও হেতাল। প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছে, গত ৪-৫ দিন ধরে মা, মেয়েকে দেখতে পাননি তাঁরা। দীপিকার মরদেহটি বসার ঘরে মেঝেতে পড়ে ছিল। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। হেতালের মরদেহটি একটি মাদুরে মোড়ানো অবস্থায় বিছানায় রাখা ছিল।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ডিভোর্সি দীপিকা মেয়েকে নিয়ে একাই থাকতেন ভয়ান্দরের গোল্ড নেস্টে। একটি কলসেন্টারে চাকরি করতেন তিনি। নভগড় থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, মরদেহ দুটি যখন উদ্ধার করা হয় ঘরে কোনো অস্বাভাবিক কিছু দেখা যায়নি। সুতরাং চুরি বা ডাকাতি করতে এসে কেউ এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, সেই সম্ভাবনা কম। এ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
কেন এই ঘটনা ঘটল তা এখনই স্পষ্ট করে বলতে পারছে না পুলিশ। বাইরে থেকে কেউ এসে এই খুন করেছে। নাকি মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন দীপিকা তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ। ডিসিপি মহেশ পাটিল মুম্বাইযের এক সংবাদমাধ্যমকে জানান, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে তারা ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর এ ঘটনা সম্পর্কে জানা যাবে।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

Be the first to comment on "মুম্বাইয়ে বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার"