শিরোনাম

১৮ বছর বয়সে ধর্ষণের শিকার হন এই মিস ওয়ার্ল্ড

নিউজ ডেস্ক : খুব সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা। মডেলিং। কেরিয়ার। বিদেশ ভ্রমণ। এর মাঝেই জীবনে নেমে আসে এক এমন বিপর্যয় যা তছনছ করে দেয় লিনর অ্যাবারজিল-এর জীবন। ইতালিতে একটি ট্যুর চলাকালীন মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ধর্ষণ করা হয় তাঁকে। তবে সেই দগদগে অধ্যায়কে দূরে সরিয়ে মিস ওয়ার্ল্ড হন তিনি। শুধু তাই নয়, এখন তিনি বিশ্বের সমস্ত নারীদের অধিকার নিয়ে লড়াই করছেন।

১৯৯৮ সালে মিস ওয়ার্ল্ড হওয়ার পর মিনিট খানেক বাদে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে লিনর বলেন, ‘আমি কখনই মিস ওয়ার্ল্ড হতে আসিনি। তবে থাইল্যান্ড ট্রিপ এবং একটা ঝাঁ চকচকে গাড়ি ছাড়তে ইচ্ছে করেনি। আমি খুব সাধারণ পরিবারে বড় হয়েছি। আমার কাছে এটা অনেক বড় ব্যাপার। মিস ওয়ার্ল্ড হওয়াটা একটা উপরি পাওনা।’ তিনি এতটাই অকপট এবং খোলামেলা।

১৮ বছর বয়সের সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে লিনর জানান, তাঁর ট্রাভেল এজেন্ট তাঁর মাথায় বন্ধুক ঠেকিয়ে ধর্ষণ করেন। প্রথমে ইতালি প্রশাসনকে সব জানান। তবে প্রমাণের অভাবে ছাড়া পেয়ে যায় অপরাধী। তবে হাল না ছেড়ে নতুন উদ্যমে সুবিচার চাইতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে উচ্চ আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন অভিযুক্ত। তাঁর ১৬ বছরের জেল হয়। লিনর বলেন, ‘ধর্ষণের পরে চুপ করে থাকার অর্থ নিজের বন্দুক দিয়ে নিজের মাথায় গুলি করা। অনেকে আমায় দোষারোপ করেছিল। তবে আমার পরিবার সব সময় আমার পাশে ছিল। সে জন্য আমি শক্ত থাকতে পেরেছি।’

লিনর পরে নিজের জীবনী নিয়ে একটি তথ্যচিত্র বানাবেন ঠিক করেন। তার জন্য বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা গ্রেগরি পেক-এর কন্যা সিসিলিয়া পেক-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সিসিলিয়া পরে লিনরের জীবনী নিয়ে ‘ব্রেভ মিস ওয়ার্ল্ড’ নামে একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেন। যা দেখে পরে বহু বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব নিজেদের যন্ত্রণাদায়ক অতীত নিয়ে সর্বসমক্ষে মুখ খোলেন।

সূত্র: এই সময়

 

basic-bank

Be the first to comment on "১৮ বছর বয়সে ধর্ষণের শিকার হন এই মিস ওয়ার্ল্ড"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*