শিরোনাম

কঙ্গনা আফিম, আলিয়া কোকেন! আর সালমান?

নিউজ ডেস্ক : মুম্বাইয়ের অপরাধজগত সম্পর্কে নানা কাহিনী শুনি আমরা। এর বিষয়ে দারুণ আগ্রহ মানুষের।

এই আন্ডারওয়ার্ল্ডের সঙ্গে বলিউডের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিও বেশ জড়িয়ে থাকে। তাই এর প্রতি মানুষের আগ্রহ আরো বেশি। শুধু তাই নয়, বলিউডের দারুণ সব মুভি এবং হিট নায়ক-নায়িকাদের নামও যে অপরাধজগতের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তা অনেকেই জানেন না। কিভাবে এমনটা হয়?
বলিউডের অপরাধজগতের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। আর সেখানে রয়েছে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। সেখানে বলা হয় ‘সুলতান’ এর কথা। শুনলেই মনে হবে, সুলতান মুভির সালমান খানের কথাই হয়ত বোঝাচ্ছেন তারা। কিন্তু আসলে সুলতান মুভির নাম দিয়ে বোঝানো হচ্ছে কোনো মাদক চোরাচালানকারী দল বা ব্যক্তিকে। মুম্বাই পুলিশের ক্রাইপ ব্রাঞ্চে এসব তথ্য রয়েছে। ফোনে আড়িপাতার পর তারা এসব তথ্য সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। ওই ফোনে বলা হচ্ছিল, ‘সুলতান সব সময় দেরি করে’। এও বলা হয় যে, ‘শেষবার সুলতান বক্স অফিনে হিট করেছিল’।

প্রথমে মনে করা হয়েছিল, সালমান খান আবার এসব মাদক চোরাচালানে জড়িত কিনা? কিন্তু এসব কোড ভাষা সহজেই বুঝতে পারেন তারা। এখানে পুলিশ আরো অনেক তথ্য পেয়েছে। বিভিন্ন মাদক বোঝাতে অপরাধীরা অনেক হিট অভিনয় শিল্পীকে বেছে নিয়েছে। এখানে তার একটা তালিকা দেখে নিন।

১. রনবীর সিং এর নাম বলা হয় ব্যক্তি মাদক বিক্রেতাকে বোঝাতে। এরা অল্প পরিমাণে মাদক বহন করে এবং তা খুচরা বিক্রি করে।

২. এদিকে রণবীর কাপুরের নাম বলা হয় মাদক ক্রেতাকে বোঝাতে।

৩. আলিয়া ভাট হচ্ছেন কোকেন।

৪. কঙ্গনা রানাউতকে বানানো হয়েছে আফিম।

৫. ক্যাটরিনা কাইফ হলেন স্ম্যাক।

৬. প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে বানানো হয়েছে এলএসডি।

৭. আনুশকা শর্মা হয়েছেন হাশিশ।

৮. নারগিস ফাকরিকে বোঝানো হয় মাদকের নেশা কেমন তা বোঝাতে।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

basic-bank

Be the first to comment on "কঙ্গনা আফিম, আলিয়া কোকেন! আর সালমান?"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*