নিউজ ডেস্ক : যাদবপুর বিশ্বাবিদ্যালয়ের চলচ্চিত্রবিদ্যা বিভাগ থেকে পিএইচডি করছেন শ্রীময়ী। ইরানের ছবি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়েই সে দেশের নিষিদ্ধ ছবি নির্মাতাদের নিয়ে তাঁর কৌতূহল তৈরি হয়।
না, জাফর পনাহির ‘ট্যাক্সি’ ছবিতে তিনি অভিনয় করেননি। তবে ইরানে গিয়ে কিংবদন্তি ফিল্মমেকারের গাড়িতে বসে তাঁকে ক্যামেরাবন্দি করেছেন কলকাতার তন্বী শ্রীময়ী সিংহ। ইরানের সমসাময়িক ছবি নির্মাতারা ওখানকার সেন্সরশিপকে ফাঁকি দিয়েও কী করে ছবি তৈরি জারি রেখেছেন, তা নিয়েই শ্রীময়ীর তথ্যচিত্র ‘টুওয়ার্ড হ্যাপি অ্যালিজ’।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্রবিদ্যা বিভাগ থেকে পিএইচডি করছেন শ্রীময়ী। ইরানের ছবি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়েই সে দেশের নিষিদ্ধ ছবি নির্মাতাদের নিয়ে তাঁর কৌতূহল তৈরি হয়। তাঁরা কোন পরিস্থিতিতে কাজ করেন, কীভাবে সেই ছবি সার্কুলেট হয়, কেন তাঁরা দেশ ছেড়ে অন্য কোনও দেশে আশ্রয় নেন না- এই সব প্রশ্নের উত্তর জানতেই গত বছর ইরান পাড়ি দেন শ্রীময়ী। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে ফারসি ভাষা নিয়ে পড়ার সময় তিনি সেখানকার বিভিন্ন পরিচালকের সঙ্গে দেখা করে তথ্যচিত্রটি তৈরি করেন। তালিকায় ছিলেন শিরবানী মহম্মদ, কিয়ামুশ আইয়ারি এবং জাফর পনাহিও।
নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও কোনো না কোনো উপায়ে ছবি তৈরি করে গেছেন পনাহি। তাঁর শেষ ছবি ‘ট্যাক্সি’ দেখানো হয়েছিল গতবারের কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে। পনাহিকে চালকের আসনে বসিয়ে সেই ছবির আদলেই চলন্ত গাড়িতে তাঁর সাক্ষাৎকার শ্যুট করেছেন শ্রীয়য়ী।
‘ধর্ম বা রাষ্ট্র যতই মানুষের উপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুক, শিল্পী নিজেকে এক্সপ্রেস করার কোনো না কোনো ফাঁক ঠিক বার করে ফেলেন। তবে এই তথ্যচিত্রটা তৈরি করতে গিয়ে আমি বুঝতে পারি শুধু শিল্পীই নন, সাধারণ মানুষও ইরানে নিজেকে প্রকাশ করার লড়াইটা প্রত্যেকদিন চালিয়ে যাচ্ছেন,’ বললেন শ্রীময়ী।
সূত্র: এবেলা
কলকাতার মেয়ে জাফর পনাহির ট্যাক্সিতে

Be the first to comment on "কলকাতার মেয়ে জাফর পনাহির ট্যাক্সিতে"